নর্থব্রংক্সে ৪৭ প্রিসিংক্টে দিদারুল স্মরণ অনুষ্ঠানে মেয়র
বাঙালী প্রতিবেদনঃ ২৮ জুলাই ছিল বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত এনওয়াইপিডি অফিসার দিদারুল ইসলামের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। গত বছর এই দিনে পার্ক এভেন্যুতে একটি বিল্ডিংএর সিকিউরিটি ডেস্কে কাজ করার সময় আততায়ীর গুলিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মঙ্গলবার এই দিনটিকে অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে স্মরণ করে ব্রংক্সের ৪৭ প্রিসিংক্ট। এই প্রিসিংক্টেই তিনি কাজ করতেন। এই স্মরণ অনুষ্ঠানে দিদারুল ইসলামের পরিবারের সদস্যসহ উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি, পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ সহ অন্যান্য কর্মকর্তা। তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, দিদারুল ছিলেন জেনেরাস, স্টেডি, হাম্বল, কাইন্ড, কমপ্যাশেনেট এবং হার্ড ওয়ার্কিং অফিসার।
উল্লেখ্য দিদারুল ইসলাম পার্কচেস্টার জামে মসজিদের জন্য হাজার হাজার ডলার সংগ্রহ করে দিয়েছেন। মেয়র বলেন, গত ২৫ বছরের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটিতে এটা ছিল সবচেয়ে নিকৃষ্ট হত্যাকান্ড। স্মরণ অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ বলেন, এই পুলিশ প্রিসিংক্ট এখনও ডিটেকটিভ দিদারুলকে হারিয়ে শোকাচ্ছন্ন। তিনি বলেন, তার পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি যারা এই প্রিসিংক্টে তার সাথে কাজ করতেন, দিদারুলের অভাব তারা দীর্ঘদিন অনুভব করবেন।
কমিশনার টিশ এই প্রিসিংক্টের কমান্ডিং অফিসার মুহাম্মদ আশরাফকে ডেপুটি ইন্সপেক্টর হিসাবে পদোন্নতির কথা ঘোষণা দেন। এই পদোন্নতি কার্যকর হয়েছে গতকাল শুক্রবার থেকে। এই পদোন্নতির কারণ হিসাবে তিনি উল্লেখ করেন অফিসার আশরাফ গত বছর উক্ত গুলি ও হত্যার ঘটনার পর থেকে নিরলস কাজ করে গেছেন এই প্রিসিংক্টে।
উল্লেখ্য, নিহত দিদারুল ইসলামের নাামে ‘দিদারুল ইসলাম রিক্রুটমেন্ট এ্যাক্ট’ নামে একটি আইন পাশ হয়েছে গত ২৭ মে। এই আইনে স্কুল সেফটি এজেন্টদের বিভিন্ন সুবিধার ব্যবস্থা থাকবে। কারণ দিদারুল ইসলাম এনওয়াইপিডিতে কাজ শুরু করেন স্কুল সেফটি এজেন্ট হিসাবে।
অনুষ্ঠানে দিদারুল ইসলামের স্বজন এনওয়াইপিডি অফিসার কামরুল হাসানও উপস্থিত ছিলেন। দিদারুলের যে পুত্রের জন্ম হয় তার মৃত্যুর তিন সপ্তাহ পরে সেও ছিল অপর দুই ভাই ও মায়ের সাথে।
