আমেরিকার ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশী শিক্ষক—১৮৩
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ শিক্ষকতার সাথে জড়িত। তাদের অনেকেই লেকচারার কিংবা এ্যাসিস্ট্যান্ট বা এসোসিয়েট প্রফেসর কিংবা ফুল প্রফেসর। কেউ কেউ প্রফেসর ইমেরিটাসও। আরো আছেন গবেষক। তাদের প্রায় সকলেরই রয়েছে গবেষণা গ্রন্থ কিংবা গবেষণা নিবন্ধ। বই প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব প্রকাশনা থেকে। তাদের নিবন্ধ প্রকাশিত হয় নিজ নিজ ইউনিভার্সিটিসহ আন্তর্জাতিক জার্নালে। সাপ্তাহিক বাঙালী এই সিরিজে কেবল বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে যারা শিক্ষকতা ও গবেষণা করেন তাদের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরছেঃ
প্রফেসর লামিয়া করিম
ইউনিভার্সিটি অব অরেগনের কলেজ অব আর্টস এন্ড সাইন্সেসের এ্যানথ্রোপলজি ও এশিয়ান স্টাডিজের প্রফেসর ড. লামিয়া করিম। তিনি ম্যাসাচুসেটসের ব্র্যান্ডিজ ইউনিভার্সিটি থেকে ১৯৮৪ সালে বি.এ. এবং ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে ১৯৯৩ সালে এম.এ. করেন। ২০০২ সালে তিনি টেক্সাসের হিউস্টনে অবস্থিত রাইস ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচ.ডি করেন। ড. করিম কালচারাল এ্যানথ্রোপলজিস্ট হিসাবে নারী, নারীর কাজ, নিও—লিবারেলিজম, রাষ্ট্র, এনজিও এই বাংলাদেশে ও দক্ষিণ এশিয়ায় ইসলাম ধর্ম নিয়ে কাজ করেন।
ড. এম ডি মনিরুজ্জামান
মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির এ্যানথ্রোপলজি বিভাগের টেনিউর সিস্টেম এসোসিয়েট প্রফেসর ড. এম ডি মনিরুজ্জামান। তিনি জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি থেকে এ্যানথ্রোপলজিতে বি.এ. ও এম.এ. করেন। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক বছর শিক্ষকতার পর ক্যানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিও থেকে ২০০৩ সালে মাস্টার্স এবং ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো থেকে ২০১০ সালে পিএইচ.ডি. করেন।
ড. ইফতেখারউদ্দিন চৌধুরী
টেক্সাস এএন্ডএম ইউনিভার্সিটির কলেজ অব আর্কিটৈকচারের এসোসিয়েট প্রফেসর এমিরেটাস ড. ইফতেখারউদ্দিন চৌধুরী। তিনি ১৯৬৮ সালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে বি.আর্ক. করেন। ১৯৭৬ সালে আর্কিটেকচারে এম.ফিল. করেন ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব নিউক্যাসল/টাইন থেকে। ১৯৯৪ সালে আর্কিটৈকচারে পিএইচ.ডি. করেন টেক্সাস এএন্ডএম ইউনিভার্সিটি থেকে। তিনি বর্তমানে অবসরে আছেন।
