হাঁটতে গিয়ে হঠাৎ ব্যথা
ব্যায়ামের মাধ্যমে জয়েন্টে রক্ত চলাচল বাড়ে এবং জয়েন্ট নিয়ন্ত্রণকারী মাংস পেশী, লিগামেন্টস, স্নায়ু নিউট্রিশন পায় ও কর্মক্ষমতা বাড়ে। যে কারণে ব্যথা কমে যায়। ব্যায়ামের মাধ্যমে জয়েন্টসের মুভমেন্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও আমরা স্বাচ্ছন্দে সব কাজ করতে পারি। ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের মধ্যে এনডরফিন নামক পদার্থ নিঃসরণ বাড়ে যা আমাদের ব্যথা কমাতে সক্রিয় থাকে। হাঁটু ব্যথায় ব্যায়াম অত্যন্ত কার্যকরী। তবে খেয়াল রাখতে হবে ব্যথা অবস্থায় ব্যায়ম করা যাবে না। আর এমন ধরনের ব্যায়াম করা যবে না যাতে আমাদের হাঁটু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। নিচে হাঁটুর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যায়াম দেয়া হলো:
স্ট্রেইট লেগ রাইজ্র: ফ্লোরে শুয়ে এক পা সোজা করে উপরে উঠান এবং পায়ের পাতা উপরের দিকে বাকা করুন। এভাবে ১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এতে আপনার হ্যমেস্ট্রিংমাসল শক্তিশালী হবে। এভাবে প্রক্রিয়া টি উভয় পায়ে ৫—১০ বার করুন। হ্যমেওস্ট্রিং কারল: চেয়ারের পেছনে দাঁড়ান। চেয়ারে হাত রাখুন। এক পায়ের উপর দাঁড়িয়ে আরেক পায়ের হাঁটু পেছনের দিকে ভাঁজ করুন। ধীরে ধীরে পা বাটক বরাবর যতদূর পর্যন্ত আনা যায় অনুন এবং ধরে রাখুন ৫—১০ সেকেন্ড। প্রক্রিয়াটি উভয় পায়ে ৫—১০ বার করুন।
প্রন স্ট্রেইট লেগ রাইজ: ফ্লোরে উপুর হয়ে শুয়ে পড়ুন। এবার যে কোনো এক পা হাঁটু ভাজ না করে সোজা করে উপরের দিকে উঠান যতটুকু পারেন। পায়ের পাতা নিচের দিকে সোজা রাখুন। এভাবে ধরে রাখুন ৩—৫ সেকেন্ড। প্রক্রিয়াটি উভয় পায়ে ৩—৫ বার করুন।
ওয়াল স্কোয়াট: শরীরের পেছনের অংশ দিয়ে দেয়াল ঘেঁষে দাড়ান। হাঁটু ভাঁজ করে চেয়ারে বসায় মতো অবস্থানে আসুন ও ধরে রাখুন ৫—১০ সেকেন্ড। এভাবে প্রক্রিয়াটি ৫—১০ বার করুন।
কাফ রেইজ: সোজা হয়ে দাঁড়ান। এবার দুই পা এক সঙ্গে শুধু পায়ের অংগুলের উপর ভর রেখে দাঁড়ান। ১০ —১৫ সেকেন্ড ধরে রাখুন ও প্রক্রিয়াটি ৩—৫ বার করুন।
সাইড লেগ রাইজ: ডানদিকে কাত হয়ে শুয়ে পরুন। বাম পা সোজা করে উপরে উঠান হাঁটু ভাঁজ না করে। পায়ের পাতা ডান পায়ের দিকে হালকা বাকিয়ে রাখুন। এভাবে উভয় পাশে ৩—৫ বার করুন ৫—১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন।
ব্যথা অবস্থায় ব্যায়াম করা যাবে না। ব্যায়াম করার সময় ব্যথা হলে ব্যায়াম বন্ধ করুন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
