আমেরিকার ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশী শিক্ষক—১৮৫
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ শিক্ষকতার সাথে জড়িত। তাদের অনেকেই লেকচারার কিংবা এ্যাসিস্ট্যান্ট বা এসোসিয়েট প্রফেসর কিংবা ফুল প্রফেসর। কেউ কেউ প্রফেসর ইমেরিটাসও। আরো আছেন গবেষক। তাদের প্রায় সকলেরই রয়েছে গবেষণা গ্রন্থ কিংবা গবেষণা নিবন্ধ। বই প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব প্রকাশনা থেকে। তাদের নিবন্ধ প্রকাশিত হয় নিজ নিজ ইউনিভার্সিটিসহ আন্তর্জাতিক জার্নালে। সাপ্তাহিক বাঙালী এই সিরিজে কেবল বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে যারা শিক্ষকতা ও গবেষণা করেন তাদের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরছেঃ
প্রফেসর সৈয়দ হারুন
স্যান এন্টোনিওর টেক্সাস এএন্ডএম ইউনিভার্সিটির কলেজ অব বিজনেসের ডিপার্টমেন্ট অব একাউন্টিং এন্ড ফিনান্সের প্রফেসর ড. সৈয়দ হারুন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইকোনমিক্সে ব্যাচেলর অব সোশাল সাইন্স বা বিএসএস এবং মাস্টার অব সোশাল সাইন্স বা এমএসএস করেন। এরপর ইউনিভার্সিটি অব নিউ অর্লিন্স থেকে ইকোনমিকসে এমএ এবং ফিনান্সিয়াল ইকোনমিকসে পিএইচ.ডি করেন।
ড. সেলিনা সিদ্দিক
কলোরাডোর মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি অব ডেনভারের কলেজ অব বিজনেসের একাউন্টিং ডিপার্টমেন্টের এসোসিয়েট প্রফেসর ড. সেলিনা সিদ্দিক। ১৯৯৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেডিসিন এন্ড সার্জারিতে ব্যাচেলর করেন। এরপর সিডনির সিকিউ ইউনিভার্সিটি থেকে ২০০৬ সালে একাউন্টিংএ মাস্টার্স করেন। ২০১০ সালে পুনরায় মাস্টার্স করেন অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে এবং একই ইউনিভার্সিটি থেকে ২০১৫ সালে একাউন্টিংএ পিএইচ.ডি করেন।
প্রফেসর মোহাম্মদ নিয়ামত এলাহি
কানেকটিকাটের হ্যামডেলের কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসের প্রফেসর মোহাম্মদ নিয়ামত এলাহি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাউন্টিংএ ব্যাচেলর ও মাস্টার্স করে ক্যানাডায় আসেন। সেখানকার ইউনিভার্সিটি অব নিউ ব্রান্সউইক ফ্রেডেরিকটন থেকে এমবিএ করেন। পরে ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস প্যান—আমেরিকান থেকে পিএইচডি করেন।
