স্পাইডার—ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে এবং টম হল্যান্ড

সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য শুরুতেই কোটি ডলার পারিশ্রমিক পেয়েছেন টম হল্যান্ড। ২০২১ সালে সিনেমার আগের পর্বনো ওয়ে হোম’—এর জন্য তিনি যে পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন, এটি তার প্রায় দ্বিগুণ। তবেব্র্যান্ড নিউ ডেবিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে অসাধারণ সাফল্য পাওয়ায় চুক্তি অনুযায়ী হল্যান্ড আরো কোটি ডলার বা এর বেশি বোনাস পেতে পারেন।স্পাইডারম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডেসিনেমায় অভিনয়ের জন্য কমপক্ষে ১০ কোটি ডলার আয় করতে পারেন ব্রিটিশ অভিনেতা টম হল্যান্ড। হল্যান্ডের চুক্তি সম্পর্কে জানেন, কিন্তু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বিষয়টি সামনে এনেছে দ্য ্যাপ। 

সেখানে বলা হয়েছে, সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য শুরুতেই কোটি ডলার পারিশ্রমিক পেয়েছেন টম হল্যান্ড। ২০২১ সালে সিনেমার আগের পর্বনো ওয়ে হোম’—এর জন্য তিনি যে পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন, এটি তার প্রায় দ্বিগুণ। তবেব্র্যান্ড নিউ ডেবিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে অসাধারণ সাফল্য পাওয়ায় চুক্তি অনুযায়ী হল্যান্ড আরো কোটি ডলার বা এর বেশি বোনাস পেতে পারেন।

মুক্তির মাত্র তৃতীয় সপ্তাহেইব্র্যান্ড নিউ ডেসর্বকালের অষ্টম সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমায় পরিণত হয়েছে। অবশ্য এতে মূল্যস্ফীতি সমন্বয় করা হয়নি। সিনেমাটির টিকিট বিক্রি এরই মধ্যে দুই বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। ২০০ কোটি ডলারের বেশি আয় করা আটটি সিনেমার মধ্যে এত দ্রুত এই মাইলফলকে পৌঁছানোর দিক থেকে এটি দ্বিতীয়। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়াঅ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেমসবচেয়ে দ্রুত এত আয় করেছিল।

স্পাইডারম্যান চরিত্রে হল্যান্ডের আগের পারিশ্রমিকের তুলনায় এবারের অঙ্কটি বিশাল। ২০১৬ সালেক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার’— প্রথমবার স্পাইডারম্যান চরিত্রে অভিনয়ের সময় তিনি আড়াই লাখ ডলার পেয়েছিলেন। এর পর একক সিনেমাস্পাইডারম্যান: হোমকামিং’ (২০১৭), ‘ফার ফ্রম হোম’ (২০১৯) এবংনো ওয়ে হোম’—এর জন্য তার পারিশ্রমিক ছিল যথাক্রমে লাখ, ৪০ লাখ কোটি ডলার।

নো ওয়ে হোম’—এর পর হল্যান্ডের আগের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর নতুন করে করা চুক্তির ফলেই তার পারিশ্রমিক এতটা বেড়েছে।

ব্র্যান্ড নিউ ডে’—এর সাফল্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের সিনেমা এবং সামগ্রিকভাবে সুপারহিরো সিনেমার প্রতি দর্শকদের আগ্রহ কমে আসছিল। ২০২৩ সালেদ্য মার্ভেলসমাত্র ২০ কোটি ৬০ লাখ ডলার আয় করে, যেখানে সিনেমাটির নির্মাণ ব্যয়ই ছিল ২৭ কোটি ডলার। ২০২৪ সালে স্পাইডারম্যানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত চরিত্রকে নিয়ে নির্মিতম্যাডাম ওয়েবআয় করে মাত্র ১০ কোটি ডলার, বিপরীতে এর নির্মাণ ব্যয় ছিল কোটি ডলার।

২০২৫ সালে ভ্যারাইটি জানিয়েছিল, মার্ভেল টানা তিনটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থ সিনেমা উপহার দিয়েছে। এগুলো হলোক্যাপ্টেন আমেরিকা: ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড’, যার আয় ছিল ৪১ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যেখানে ২০১৬ সালের আগেরক্যাপ্টেন আমেরিকাসিনেমাটি আয় করেছিল ১১৫ কোটি ডলার; ‘থান্ডারবোল্টস’, যার আয় ৩৮ কোটি ২০ লাখ ডলার, নির্মাণ ব্যয় ১৮ কোটি ডলার; এবংদ্য ফ্যান্টাস্টিক ফোর: ফার্স্ট স্টেপস’, যার আয় ৫২ কোটি ১০ লাখ ডলার, নির্মাণ ব্যয় ২০ কোটি ডলার।

স্পাইডারম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’—এর এই বক্স অফিস সাফল্য হল্যান্ডের জন্যও অসাধারণ এক বছরে এসেছে। চলতি বছর তিনি ক্রিস্টোফার নোলানের প্রশংসিত সিনেমাদ্য ওডিসি’—তেও টেলেমাকাস চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সিনেমাটি বছর এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমাবিশ্বজুড়ে এর টিকিট বিক্রি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ১৩০ কোটি ডলার।

চলতি বছরই হল্যান্ড তার দুই সিনেমার সহঅভিনেত্রী জেন্ডায়াকে বিয়ে করেছেন।দ্য ওডিসিএবংস্পাইডারম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’—দুই সিনেমাতেই তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে।

Related Posts