আমেরিকার ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশী শিক্ষক—১৮৮
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ শিক্ষকতার সাথে জড়িত। তাদের অনেকেই লেকচারার কিংবা এ্যাসিস্ট্যান্ট বা এসোসিয়েট প্রফেসর কিংবা ফুল প্রফেসর। কেউ কেউ প্রফেসর ইমেরিটাসও। আরো আছেন গবেষক। তাদের প্রায় সকলেরই রয়েছে গবেষণা গ্রন্থ কিংবা গবেষণা নিবন্ধ। বই প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব প্রকাশনা থেকে। তাদের নিবন্ধ প্রকাশিত হয় নিজ নিজ ইউনিভার্সিটিসহ আন্তর্জাতিক জার্নালে। সাপ্তাহিক বাঙালী এই সিরিজে কেবল বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে যারা শিক্ষকতা ও গবেষণা করেন তাদের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরছেঃ
প্রফেসর রুমানা রিফাত
ওয়াশিটন ডিসির দ্য জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির সিভিল এন্ড এনভার্নমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিংএর প্রফেসর এবং ইন্টেরিম এসোসিয়েট ডিন (একাডেমিক এফেয়ার্স) রুমানা রিফাত। তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে ১৯৮৮ সালে বি.এস. করেন। ১৯৯১ সালে আমেরিকার আইওয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে এম.এস. এবং ১৯৯৪ সালে একই ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচ.ডি করেন। তিনি ওয়েস্টওয়াটার ট্রিটমেন্টের ওপর গবেষণা করে এবং পুনর্বার ব্যবহার সুনিশ্চিত করে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন।
প্রফেসর আবুল হুশাম
ভার্জিনিয়ার জর্জ ম্যাসন ইউনিভার্সিটির কলেজ অব সাইন্সের প্রফেসর এবং সেন্টার ফর ক্লিন ওয়াটার এন্ড সাসটেইনেবল টেকনোলজির ডিরেক্টর ড. আবুল হুশাম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৫ সালে কেমিস্ট্রিতে বি.এসসি. (অনার্স) এবং পরের বছর ফিজিক্যাল—অর্গানিক কেমিস্ট্রিতে এম.এসসি. করেন। ১৯৮২ সালে আমেরিকার পেনসিলভেনিয়া স্টেটের ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ থেকে এনালাইটিকেল কেমিস্ট্রিতে পিএইচ.ডি করেন।
প্রফেসর তাসনিম হাসান
রলের নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব সিভিল, কন্সট্রাকশন এন্ড এনভার্নমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রফেসর ড. তাসনিম হাসান। তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে ১৯৮১ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংএ বি.এস. করেন। ১৯৮৫ সালে একই বিষয়ে এম.এস. করেন ইউনিভার্সিটি অব এরিজোনা থেকে। ১৯৯৩ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংএ পিএইচ.ডি. করেন ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস, অস্টিন থেকে।
