আমেরিকার ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশী শিক্ষক—১৭০
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ শিক্ষকতার সাথে জড়িত। তাদের অনেকেই লেকচারার কিংবা এ্যাসিস্ট্যান্ট বা এসোসিয়েট প্রফেসর কিংবা ফুল প্রফেসর। কেউ কেউ প্রফেসর ইমেরিটাসও। আরো আছেন গবেষক। তাদের প্রায় সকলেরই রয়েছে গবেষণা গ্রন্থ কিংবা গবেষণা নিবন্ধ। বই প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব প্রকাশনা থেকে। তাদের নিবন্ধ প্রকাশিত হয় নিজ নিজ ইউনিভার্সিটিসহ আন্তর্জাতিক জার্নালে। সাপ্তাহিক বাঙালী এই সিরিজে কেবল বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে যারা শিক্ষকতা ও গবেষণা করেন তাদের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরছেঃ
প্রফেসর এম. সালেহ উদ্দিন
জর্জিয়ার কেনে সো স্টেট ইউনিভার্সিটির আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর ড. এম. সালেহ উদ্দিন। তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে গোল্ড মেডেল পেয়ে ব্যাচেলর অব আর্কিটৈকচার করেন। এরপর তিনি ওহাইয়োর কেন্ট স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার অব আর্কিটেকচার করেন আরবান ডিজাইনে। প্রফেসর সালেহ উদ্দিন কম্পু্যটার রিপ্রেজেন্টেশন ও আরবান ডিজাইনে বৃটেনের ইউনিভার্সিটি অব শেফিল্ড থেকে পিএইচডি করেন। ড. সালেহ উদ্দিন এছাড়াও ইউনিভার্সিটি অব মিজৌরি—কলাম্বিয়া, ইউনিভার্সিটি অব সাদার্ন ইউনিভার্সিটি অব লুইজিয়ানার স্যাভানাহ কলেজ, কেন্ট স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেছেন।
ড. নাজলি হার্ডি
পেনসিলভেনিয়ার মিলার্সভিল ইউনিভার্সিটির কম্পু্যটার সাইন্স ডিপার্টমেন্টের এসোসিয়েট প্রফেসর ড. নাজলি হার্ডি। তিনি জিম্বাবুয়ের হারারেতে হাইস্কুলে পড়ালেখা করে আমেরিকায় চলে আসেন। নিউইয়র্কের পটসড্যামে অবস্থিত ক্লার্কসন ইউনিভার্সিটি থেকে কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংএ বিএস করেন। ১৯৯৯ সালে মেট্রোপলিটন কলেজ অব নিউইয়র্ক থেকে মিডিয়া ম্যানেজমেন্টে এমবিএ করেন। আর ২০০৫ সালে সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক থেকে কম্পু্যটার সাইন্সে পিএইচডি করেন।
প্রফেসর ফরিদুল ইসলাম
মেরিল্যান্ডের মরগ্যান স্টেট ইউনিভার্সিটির ইকোনমিক্স ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর ফরিদুল ইসলাম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বিএস করেন। এরপর বৃটেনের লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স থেকে ইকোনমিক্সে এমএস করেন। তিনি ইলিনয়ের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আরবানা—শ্যাম্পেইন থেকে ইকোনমিক্সে পিএইচডি করেন।
