ক্লাসরুমের ল্যাপটপে এআই ব্যবহার নিষিদ্ধ
বাঙালী প্রতিবেদনঃ ‘মাথা ঘামানো’ বলতে যা বোঝাত একসময়, অর্থাৎ বুদ্ধি খরচ করে যে কোনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজত ছাত্রছাত্রীরা। কিন্তু আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সেই বুদ্ধি প্রয়োগ করে যে কোনো প্রশ্নের উত্তর খোঁজার পরিবর্তে চ্যাটবট বা গুগলের জেমিনাইকে জিজ্ঞাসা করলে যে কোনো প্রশ্নের উত্তর তাৎক্ষণিকভাবে দিয়ে দেয়। বিষয়টি শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা নিয়ে গবেষণা করেন যারা তাদের চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কারণ বুদ্ধি চর্চার বিষয়, চর্চা না করলে তা শাণিত বা প্রখর হয় না। তাছাড়া চ্যাটবট যদি যে কোনো প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দেয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা কেন কষ্ট করবে এর উত্তর খোঁজার জন্য।
গুগলের ‘ডিপ মাইন্ড’ এর রিসার্চ সাইন্টিস্ট কেভিন ম্যাক্ কি বলেন, এআই মডেলকে আমরা এমনভাবে প্রশিক্ষণ দিই যে তারা যেন এর ব্যবহারকারীকে সঠিকভাবে সহায়তা করতে পারে। কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের বিষয়টি ভিন্ন, কিংবা বলতে গেলে এর বিপরীত। তাদের কাজ হচ্ছে শেখার জন্য পরিশ্রম করা, অর্থাৎ মেধাকে ব্যবহার করা।
এতদিন আমেরিকার স্কুল থেকে দেয়া ল্যাপটপে গুগল জেমিনাই এ্যাপ দেয়া হতো গুগল কোম্পানি থেকেই। কিন্তু পরিবার, স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষা বিষয়ক এডভোকেসি গ্রুপগুলোর চাপে গুগল তাদের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনছে। তারা ছাত্রছাত্রীদের কাজ নিজে নিজে করার জন্য স্কুল চলাকালে এআই এর জেমিনাই বা চ্যাটবটকে ব্যবহারের অনুপযোগী করে দেবে। অর্থাৎ ডিফল্ট সেটিংএ জেমিনাইকে ক্লাসরুমে বন্ধ রাখা হবে। আর যখন গুগল টার্ন অন করবে তখন কেবল ‘গাইডেড লার্নিং’ মোডে ব্যবহার করা যাবে।
গত মঙ্গলবার গুগল তাদের সিদ্ধান্ত আমেরিকার স্কুল কতৃর্পক্ষকে জানিয়ে দিয়েছে বলে স্কুল বিষয়ক অনলাইন নিউজ চকবিট জানিয়েছে।
