৬১—তে শাহরুখ খান

বলিউডের বাদশা, কিং খান—শাহরুখ খানের পরিচয় দিতে আলাদা কোনো বিশেষণের প্রয়োজন হয় না। তিন দশকের বেশি সময় ধরে তিনি মুগ্ধ করে রেখেছেন দর্শকদের। পর্দায় দুই হাত ছড়িয়ে দাঁড়ানোর চিরচেনা ভঙ্গি কিংবা সংলাপ বলার নিজস্ব ধরন তাকে দিয়েছে অনন্য পরিচিতি। তবে বিপুল জনপ্রিয়তা ও তারকাখ্যাতির আড়ালে শাহরুখের আরেকটি পরিচয় প্রায়ই চাপা পড়ে যায়। তিনি এমন একজন অভিনেতা, যিনি কখনো নির্দিষ্ট কোনো চরিত্র বা ইমেজে নিজেকে আটকে রাখেননি। রোমান্টিক নায়ক থেকে খলনায়ক, বিজ্ঞানী থেকে হকি কোচ, বিচিত্র সব চরিত্রে অভিনয় করে বারবার নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।

১৯৬৫ সালের ২ নভেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ৬১ বছর বয়সে এসেও অভিনয় ও তারকাখ্যাতিতে সমান উজ্জ্বল বলিউডের এই ‘বাদশাহ’।। জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক অভিনেতা শাহরুখের বর্ণিল অভিনয়যাত্রার কিছু উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।

টেলিভিশন থেকে বলিউডের বাদশা

টাইমস নাও—এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শাহরুখের অভিনয়জীবনের শুরু বড় পর্দায় নয়, ছোট পর্দায়। বলিউডে আসার আগে ‘ফৌজি’ ও ‘সার্কাস’ ধারাবাহিকে অভিনয় করে নজর কাড়েন তিনি। টেলিভিশনের সেই তরুণ অভিনেতাই একসময় হয়ে ওঠেন ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে পরিচিত মুখগুলোর একজন।

১৯৯২ সালে ‘দিওয়ানা’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় শাহরুখের। শুরু থেকেই চেনা ছকের নায়ক হতে চাননি তিনি। ‘ডর’ ও ‘আনজাম’ সিনেমায় অভিনয় করেন একরোখা প্রেমিকের চরিত্রে। ‘বাজিগর’—এ হাজির হন নেতিবাচক চরিত্রে। প্রচলিত নায়কোচিত ভাবমূর্তির বাইরে গিয়ে এমন চরিত্র বেছে নেওয়ার মধ্য দিয়েই নিজের অভিনয় ক্ষমতার পরিচয় দিতে শুরু করেন।

তবে তার তারকাখ্যাতি আকাশ ছুঁয়েছে মূলত রোমান্টিক সিনেমার হাত ধরে। ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ ও ‘মোহাব্বতে’—এর মতো সিনেমা তাকে করে তোলে বলিউডের রোমান্টিক নায়কের প্রতীক। পর্দায় দুই হাত ছড়িয়ে প্রেম প্রকাশের দৃশ্য হয়ে ওঠে তার নিজস্ব স্টাইল। সিনেমার সংলাপও ছড়িয়ে পড়ে দর্শকের মুখে মুখে। ‘বড়ে বড়ে শহরো মে অ্যায়সি ছোটি ছোটি বাতেঁ হোতি রেহতি হ্যায়, সেনোরিটা’, ‘পেয়ার দোস্তি হ্যায়’ কিংবা ‘হার কার জিতনে ওয়ালে কো বাজিগর ক্যাহতে হ্যায়’ এমন সংলাপ আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।

রোমান্টিক নায়কের বাইরে অন্য শাহরুখ

রোমান্টিক নায়ক হিসেবে তুমুল জনপ্রিয়তা পেলেও শাহরুখের আগ্রহ ছিল বিচিত্র সব চরিত্রে। নিজেকে নতুনভাবে তুলে ধরার সেই চেষ্টা দেখা যায় তার বেশ কয়েকটি সিনেমায়।

‘স্বদেশ’—এ তিনি মোহন ভার্গব, নাসায় কর্মরত এক বিজ্ঞানী। নিজের শিকড়ের টানে ভারতে ফিরে এসে তিনি পরিচিত হন গ্রামের মানুষের জীবনসংগ্রামের সঙ্গে। দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ ও ব্যক্তিগত উপলব্ধির টানাপোড়েন চরিত্রটিকে করে তুলেছে গভীর। এখানে শাহরুখের সংযত ও আবেগনির্ভর অভিনয় বিশেষভাবে নজর কাড়ে।

‘চাক দে! ইন্ডিয়া’তে তিনি কবির খান। একসময় জাতীয় হকি দলের খেলোয়াড় ছিলেন। কিন্তু একটি ঘটনার পর তাকে অপমান ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। পরে নারী হকি দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। আত্মবিশ্বাস হারানো খেলোয়াড়দের এক সুতোয় বাঁধার এই গল্পে শাহরুখের অভিনয় ছিল দৃঢ় ও সংযত।

‘মাই নেম ইজ খান’—এ রিজওয়ান খান চরিত্রে দেখা যায় তাকে। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বৈষম্য ও বিদ্বেষের শিকার হন রিজওয়ান। চরিত্রটির সরলতা, আবেগ, অসহায়ত্ব ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে শাহরুখ দেখিয়েছেন অসাধারণ দক্ষতা।

এরপর ‘ফ্যান’ সিনেমায় নিজেকে নিয়ে যান আরও কঠিন এক পরীক্ষায়। এখানে তিনি একই সঙ্গে অভিনয় করেছেন একজন জনপ্রিয় সুপারস্টার এবং তার প্রতি অস্বাভাবিকভাবে আসক্ত এক ভক্তের চরিত্রে। দুটি চরিত্রের চেহারা, আচরণ ও মানসিকতায় ছিল বিস্তর ফারাক। সেই ব্যবধান বিশ্বাসযোগ্যভাবে ফুটিয়ে তোলা সহজ ছিল না। অনেকের মতে, এটি শাহরুখের ক্যারিয়ারের অন্যতম সাহসী এবং সেরা অভিনয়গুলোর একটি।

বিরতির পর প্রত্যাবর্তন, নতুন চমক

একপর্যায়ে পরপর কয়েকটি সিনেমা প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। এরপর প্রায় পাঁচ বছর বড় পর্দা থেকে দূরে থাকেন শাহরুখ। তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে ভক্তদের অপেক্ষা ও কৌতূহল ছিল তুঙ্গে।

২০২৩ সালে ‘পাঠান’ দিয়ে ফিরেই বক্স অফিসে ঝড় তোলেন তিনি। অ্যাকশন হিরো হিসেবে নতুন করে হাজির হন পর্দায়। এরপর ‘জওয়ান’—এ অ্যাকশনের পাশাপাশি সামাজিক অসংগতির নানা দিক তুলে ধরেন। দুটি সিনেমাই ব্যবসায়িক সাফল্যে নতুন রেকর্ড গড়ে।

একই বছর মুক্তি পায় ‘ডানকি’। আগের দুই সিনেমার মতো অ্যাকশননির্ভর না হয়ে এখানে শাহরুখ অভিনয় করেন অভিবাসন ও দেশ ছেড়ে যাওয়ার আকাক্সক্ষাকে ঘিরে তৈরি এক আবেগঘন গল্পে। বিদেশে পাড়ি জমানোর চেষ্টা, বাস্তুচ্যুতির বেদনা এবং শিকড়ে ফিরে আসার টান, এসব অনুভূতি উঠে আসে সিনেমাটিতে। ‘পাঠান’ ও ‘জওয়ান’—এর মতো ব্যবসায়িক সাফল্য না পেলেও ভিন্ন ধারার এই চরিত্রে শাহরুখের আন্তরিক অভিনয় দর্শকের দৃষ্টি কেড়েছে।

সুপারস্টার পরিচয়ের ঊর্ধ্বে অভিনেতা শাহরুখ

শাহরুখ খানের অভিনয়জীবনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক সম্ভবত তার বৈচিত্র্য। কখনো প্রেমিক, কখনো খলনায়ক, কখনো বিজ্ঞানী বা হকি কোচ, প্রতিটি চরিত্রেই নতুনভাবে নিজেকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। সব সিনেমা সফল হয়নি, সব অভিনয়ও সমান প্রশংসা পায়নি। কিন্তু নিজেকে ভাঙার এবং নতুন কিছু করার আগ্রহে ভাটা পড়েনি কখনো।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তারকাখ্যাতি তাকে দিয়েছে অসংখ্য অর্জন। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ নানা সম্মাননা। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে তার জনপ্রিয়তা ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। কিন্তু এত কিছুর পরও অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহই তাকে আলাদা করেছে।

‘প্রেম নয়, পুরুষের চোখের জলও সুন্দর হতে পারে’

একজন নায়ক প্রেমে পড়বেন, প্রেমিকার জন্য লড়বেন। প্রয়োজনে পৃথিবী ওলটপালট করে দেবেন। কিন্তু প্রেমে হেরে গেলে কী করবেন? নিজের ভুলের মুখোমুখি হলে কেমন আচরণ করবেন? দীর্ঘদিন ভালোবাসার পর যদি প্রেমিকার সুখের জন্য নিজের আকাক্সক্ষা থেকে সরে আসতে হয়, তখন কী করবেন তিনি?

হিন্দি সিনেমার নায়কদের গল্পে এসব মুহূর্ত নতুন নয়। তবে নায়কের দুর্বলতাকেও দর্শকের ভালোবাসার কারণ করে তোলা, একজন ব্যর্থ মানুষ হিসেবেও তাকে গ্রহণযোগ্য করে তোলা—এই জায়গায় শাহরুখ খানের অভিনয় আমাদের নতুন করে ভাবায়।

১৯৯৪ সালের ‘কাভি হা কাভি না’ সিনেমার সুনীলের কথাই ধরা যাক। সে প্রেমে পড়ে, মিথ্যা বলে, ঈর্ষান্বিত হয়। নিজের ভালোবাসা পাওয়ার আকাক্সক্ষায় এমন অনেক কাজ করে, যেগুলোকে আদর্শ প্রেমিকের আচরণ বলা যায় না। 

অথচ পর্দায় সুনীলকে দেখার অভিজ্ঞতা শুধু তার ভুলের হিসাব মেলানোর মধ্যে আটকে থাকে না। তার অপরিণত আচরণের আড়ালে আমরা দেখতে পাই এক অনিশ্চিত, ভুল করতে থাকা মানুষকে।

সুনীল প্রচলিত অর্থে কোনো বিজয়ী নায়ক নয়। নিজের ইচ্ছামতো তার প্রেম পূর্ণতা পায় না। তবু তার গল্পে এমন এক টান ও মায়া আছে, যা দর্শককে তার পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেয়। সুনীলের মধ্য দিয়ে দর্শক যেন নিজেদের ভুল করারও একটা জায়গা খুঁজে পান।

শাহরুখের তারকাখ্যাতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক এখানেই। তিনি শুধু প্রেম পাওয়ার আনন্দকে পর্দায় আকর্ষণীয় করে তোলেননি। প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কষ্ট, অসহায়ত্ব এবং নিজের আবেগের সঙ্গে লড়াই করার অভিজ্ঞতাকেও নায়কের গল্পের অংশ করেছেন।

কিন্তু একজন পুরুষের দুর্বলতা দর্শকের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে কীভাবে? পর্দায় এই দুর্বলতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে পুরুষত্বের প্রচলিত ধারণায় আদৌ কোনো পরিবর্তন আসে কি?

আবেগপ্রবণ পুরুষ

হিন্দি সিনেমায় পুরুষ নায়কের শক্তি প্রদর্শনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ, প্রতিশোধ, কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা কিংবা প্রতিপক্ষকে পরাজিত করা—তথাকথিত নায়কোচিত পুরুষত্বের এসব বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন সময়ে দর্শকের কাছে জনপ্রিয় হয়েছে। অমিতাভ বচ্চনের ‘অ্যাংরি ইয়াং ম্যান’ ইমেজের সঙ্গে শাহরুখের তারকাচিত্রের তুলনা টেনে এই পার্থক্য বিশ্লেষণ করেছেন গবেষক প্রসিদা গোপীনাথ।

২০১৮ সালে ‘সেলিব্রিটি স্টাডিজ’ জার্নালে প্রকাশিত তার গবেষণাপত্রের শিরোনাম ‘আ ফিলিং ইউ ক্যাননট রেজিস্ট: শাহরুখ খান, অ্যাফেক্ট, অ্যান্ড দ্য রিস্ক্রিপ্টিং অব মেল স্টারডম ইন হিন্দি সিনেমা’। এতে শাহরুখের অভিনয়ে আবেগ, সংবেদনশীলতা এবং কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

গোপীনাথের বিশ্লেষণে শাহরুখের বিশেষত্ব শুধু তার রোমান্টিক নায়ক পরিচয়ে নয়। তার অভিনয়ের মধ্য দিয়ে পুরুষ তারকাখ্যাতির একটি নতুন ধরন তৈরি হয়েছিল। সেখানে দুর্বলতা ও সংবেদনশীলতাও পুরুষালি আকর্ষণের অংশ হয়ে ওঠে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে শাহরুখের সব চরিত্রই প্রচলিত পুরুষতান্ত্রিক ধারণা ভেঙে দেয়। বরং তার অভিনয়ের কিছু মুহূর্ত পুরুষত্বের প্রচলিত ধারণাকে আরও জটিল করে তোলে। 

একজন পুরুষ নিজের কষ্ট প্রকাশ করতে পারেন। আবার সেই কষ্টের অজুহাতে অন্যের ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টাও করতে পারেন। শাহরুখের কয়েকটি চরিত্রের দিকে তাকালে এই দ্বন্দ্ব স্পষ্ট হয়।

পর্দার মানুষ আর বাস্তবের শাহরুখ

শাহরুখ নিজেও তার রোমান্টিক তারকাচিত্র সম্পর্কে সচেতন। ২০১৭ সালে টেডের মঞ্চে ‘থটস অন হিউম্যানিটি, ফেইম অ্যান্ড লাভ’ শীর্ষক বক্তৃতায় তিনি মজা করে বলেছিলেন, লাখো মানুষের কাছে তিনি স্বপ্ন বিক্রি করেন, ভালোবাসার কথা পৌঁছে দেন। তার দর্শকেরা তাকে পৃথিবীর সেরা প্রেমিক মনে করেন। সেই ধারণাটিও তিনি ভাঙতে চান না।

২০২৪ সালে ‘দ্য গার্ডিয়ান’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখ তার দীর্ঘ অভিনয়জীবন, অ্যাকশন হিরো হওয়ার আকাক্সক্ষা এবং পর্দার তারকাচিত্রের সঙ্গে ব্যক্তিগত সত্তার পার্থক্য নিয়ে কথা বলেছেন।

তার ক্যারিয়ারের এই পরিবর্তনও লক্ষণীয়। যে অভিনেতা রোমান্টিক নায়ক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন, তিনিই পরে অ্যাকশনকেন্দ্রিক চরিত্রে ফিরে এসে দর্শকের সামনে নিজের আরেকটি রূপ তুলে ধরেছেন।

পুরুষের দুর্বলতা কি সত্যিই গ্রহণযোগ্য হয়েছে?

শাহরুখের জন্মদিনে তার অভিনয়ের এই দিকটি নিয়ে আলোচনা তারকাখ্যাতির বাইরেও একটি প্রশ্ন সামনে আনে। আমরা পুরুষের কাছ থেকে আসলে কী প্রত্যাশা করি?

পুরুষ কি শুধু শক্ত থাকবেন, সিদ্ধান্ত নেবেন, ব্যর্থতা গোপন করবেন? অন্যের সামনে নিজের কষ্ট প্রকাশ করবেন না? নাকি তার অনিশ্চয়তা, কান্না ও ভুল করার অধিকারও থাকবে?

শাহরুখের অভিনয় এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর দেয় না। তার অনেক কালজয়ী চরিত্র প্রচলিত পুরুষতান্ত্রিক প্রত্যাশাকে সমর্থন করেছে। আবার কিছু চরিত্র সেই প্রত্যাশার সীমাবদ্ধতাও ভেঙেছে।

পর্দায় একজন পুরুষকে কাঁদতে দেখা মানেই সমাজে পুরুষের আবেগ প্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাওয়া নয়। তবে কোনো জনপ্রিয় তারকার অভিনয়ে সেই আবেগ বারবার ফিরে এলে দর্শকও পুরুষত্বের প্রচলিত ধারণাকে নতুন করে দেখার সুযোগ পান।

‘লাডলা’ সিনেমায় অনিল কাপুর অভিনীত রাজু যখন শ্রীদেবী অভিনীত শীতলকে চড় মারেন, তখন ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’র রাজকে দেখা যায় তার হবু শাশুড়ির সঙ্গে বসে সবজি বাছতে। শাহরুখের চরিত্রগুলোর বিশেষত্ব এখানেই।

Related Posts