বায়োস্কোপের উদ্যোগে এনপিআর—এ রিভিউ’র জন্য ‘রইদ’ নির্বাচিত
নিউইয়র্কঃ মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত মুভি ‘রইদ’ এখন দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী আলো ছড়াচ্ছে। আমেরিকা ও কানাডায় ছবিটির পরিবেশক বায়োস্কোপ ফিল্মস। কোনো বাংলাদেশী চলচ্চিত্র এই প্রথম আমেরিকার বিখ্যাত ব্রডকাস্ট কোম্পানি এনপিআর এর মাধ্যমে তাদের ১০০০টি স্টেশনে অফিশিয়ালি রিভিউ’র অন্তভুর্ক্ত হওয়ার জন্য নির্বাচিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ব দরবারে বিশেষ করে অস্কার, বাফটাসহ বিভিন্ন বিশ্বমানের ইভেন্টের মনোনয়নের জন্য আন্তর্জাতিক ব্রডকাস্ট প্লাটফর্মে সেই মুভি নিয়ে আলোচনায় স্থান পাওয়াটা জরুরি। এবছর বায়োস্কোপ ফিল্মস তাদের ৫৫তম ডিস্ট্রিবিউশন হিসেবে ‘রইদ’ মুভিটি আমেরিকা ও কানাডায় একাধিক মুভি থিয়েটারে মুক্তি দিয়েছে। প্রতিবছরই বায়োস্কোপ ফিল্মস তাদের পরিবেশিত একটি মুভিকে অস্কার মনোনয়নের জন্য তাদের রীতি অনুযায়ী প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করার চেষ্টা করে।
এই প্রথম কোনো বাংলাদেশী মুভি এনপিআর—এর মতো কোনো বড় প্লাটফর্মে রিভিউয়ের জন্য নির্বাচিত হলো। এটি আমেরিকার জাতীয় রেডিও এনপিআর (ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও)। আমেরিকায় যাদের প্রায় ১০০০টি স্টেশন রয়েছে। তারা মুভির কনটেক্সট ও ব্যাকগ্রাউন্ড বিবেচনা করে। সেই বিবেচনায় তারা ডিস্ট্রিবিউটরের সাথে যোগাযোগ করে। এরপরই মূলত মুভিটির একটি ড্রাফট তাদের কাছে দিতে হয়।
সেই হিসেবে বাংলাদেশী কোনো চলচ্চিত্র এই প্রথম এমন একটি মাইলফলক ছুঁতে পারলো।
এ প্রসঙ্গে ছবিটির পরিবেশক বায়োস্কোপ ফিল্মসের কর্ণধার রাজ হামিদ বলেন, ‘আমরা প্রতিবছরই একটি বাংলা ছবি নিয়ে সর্বোচ্চ প্লাটফর্মের স্বীকৃতির জন্য চেষ্টা করি। এই পথ মসৃণ নয়, তা আমরা জানি। তবে অসাধ্যও নয়। তাই আমরা একটু একটু করেই বাংলা ছবির পতাকা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। রইদ মুভিটি নিয়ে আমেরিকার জাতীয় ভিত্তিক রেডিওতে এই সিলেকশন আমাদের বড় সাফল্য বলে মনে করি।’
এ প্রসঙ্গে ছবিটির নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন বলেন, ‘ছবিটি নির্মাণ করি নিজের ভালোবাসা আর মায়া থেকে। এরপর ছবিটি বিভিন্ন মানুষের কাছে যেতে থাকে। আমেরিকার ন্যাশনাল রেডিওতে একটি বাংলাদেশী মুভি নিয়ে আলোচনা হবে এটি একজন নির্মাতা হিসেবে আমার জন্য অবশ্যই আনন্দের।’
রইদ চলচ্চিত্রটির প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোস্তাাফিজুর নূর ইমরান ও নাজিফা তুষি। এছাড়াও ছবিটিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিশিষ্ট অভিনেতা গাজী রাকায়েত। ছবিটি প্রযোজনা করেছে বঙ্গ ও ফেসকার্ড।
