আমেরিকার ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশী শিক্ষক—১৮৯
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ শিক্ষকতার সাথে জড়িত। তাদের অনেকেই লেকচারার কিংবা এ্যাসিস্ট্যান্ট বা এসোসিয়েট প্রফেসর কিংবা ফুল প্রফেসর। কেউ কেউ প্রফেসর ইমেরিটাসও। আরো আছেন গবেষক। তাদের প্রায় সকলেরই রয়েছে গবেষণা গ্রন্থ কিংবা গবেষণা নিবন্ধ। বই প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব প্রকাশনা থেকে। তাদের নিবন্ধ প্রকাশিত হয় নিজ নিজ ইউনিভার্সিটিসহ আন্তর্জাতিক জার্নালে। সাপ্তাহিক বাঙালী এই সিরিজে কেবল বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে যারা শিক্ষকতা ও গবেষণা করেন তাদের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরছেঃ
প্রফেসর জসিম ইমরান
সাউথ ক্যারোলাইনা ইউনিভার্সিটির মম্মিনারোলি কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কম্পু্যটিংএর সিভিল এন্ড এনভার্নমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিংএর মি. এন্ড মিসেস আরউইন বি. কাহন প্রফেসর অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ড. জসিম ইমরান। তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে ১৯৮৯ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংএ বি.এস. করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে একই বিষয়ে এম.এস. করেন। ১৯৯৭ সালে ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটা থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংএ পিএইচ.ডি করেন।
ড. সামানথা ইসলাম
ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এলাবামার কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিংএর ডিপার্টমেন্ট অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ও ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিংএর এসোসিয়েট প্রফেসর ড. সামানথা ইসলাম। তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংএ বি.এস. করে আমেরিকায় চলে আসেন। ইন্ডিয়ানার ওয়েস্ট ল্যাফায়েটের পারড্যু ইউনিভার্সিটি থেকে একই বিষয়ে এম.এস. এবং পিএইচ.ডি করেন।
প্রফেসর মুসতাক হোসেন
ক্যানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের মাংগার প্রফেসর ড. মুসতাক হোসেন। তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে ১৯৮৩ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংএ বি.এস. এবং ১৯৮৬ সালে একই বিষয়ে এম.এস. করেন। ১৯৯০ সালে তিনি এরিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংএ পিএইচ.ডি করেন।
