‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচীর আগেই দীপকে ও নেহা গ্রেফতার || দিল্লিতে উত্তেজনার পারদ উর্ধর্মুখী

বিবিসি বাংলা প্রতিবেদনঃ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ বা ভারতের জাতীয় পতাকাÑ ‘তেরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচি ঘিরে কড়া অবস্থান নেয় পুলিশ প্রশাসন। ভারতের তিন রঙা জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে পথে নামার ডাক দেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। দিন কয়েক আগেই নিয়ম অমান্য করে যন্তর মন্তরে প্রবেশ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া ‘পিস বন্ড’ বা শান্তি ভঙ্গ না করার লিখিত আশ্বাস ভাঙার অভিযোগ তুলে সিজেপির সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা এখন তিহার জেলে বন্দী।

অভিজিৎ দীপকে ও নেহা বোরাকে আটক করা হয় কর্মসূচীর আগেই। তারই প্রতিবাদ জানাতে এই কর্মসূচি।

শুক্রবারের কর্মসূচিতে নাগরিক সমাজকে যেমন যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়, তেমনই আহ্বান জানানো হয় বিজেপি—বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকেও। আম আদমি পার্টির মতো একাধিক রাজনৈতিক দলও এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য সকলকে আহ্বান জানায়। বিকেল ৫টায় দিল্লির কেন্দ্রস্থল কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। জানা গেছে, এই কর্মসূচীতে বহু মানুষ যোগ দেয়।

ঠিক তার আগের দিন, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দিল্লির প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়াতে একটা সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মি. দীপকে ছাড়াও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) নেত্রী নেহা বোরাসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলা আন্দোলন এবং এসআইআর ঘিরে অনিয়মের বিরুদ্ধে সরব হন তারা। সাম্প্রতিক সময়ে দিল্লিতে বিক্ষোভের সময় পুলিশের পদক্ষেপেরও তীব্র সমালোচনা করেন।

এদিকে শুক্রবারের কর্মসূচির কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয় দিল্লির কনট প্লেস ও সংলগ্ন এলাকা। ১৬ ও ১৭ অক্টোবর সেন্ট্রাল পার্ক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় নিউ দিল্লি মিনিউসিপাল কাউন্সিল (এনডিএমসি)। বিপুল পরিমাণে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ বলেছে, ‘জাতীয় পতাকা বহন করা ও জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য একটা উপযুক্ত স্থানে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে সমবেত হওয়ার অনুমতি দেওয়ার ব্যবস্থা করার বিষয়টা আমরা বিবেচনা করতে পারি।’

পুলিশের যুক্তি মানতে নারাজ অভিজিৎ দীপকে। তিনি বলেছেন, ‘ভারতের পতাকা ওড়াতে কি কোনো অনুমতির প্রয়োজন আছে? তেরঙ্গা শুধু দিল্লি পুলিশের নয়, এই দেশের ১৩০ কোটি মানুষেরও। আমরা যেখানে খুশি পতাকা ওড়াব।’

কেন এই কর্মসূচি?

সিজেপির এই কর্মসূচির সূত্রপাত যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং দলের নেতাদের গ্রেফতারের ঘটনাকে ঘিরে।

১৩ অক্টোবর সিজেপি নেতা সৌরভ দাস, আজিঙ্কা শিন্ডে এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে স্লোগান দিচ্ছিলেন তারা। ঠিক তার আগের দিনই পুলিশ জানিয়েছিল যন্তর মন্তরে আর বিক্ষোভ কর্মসূচি করা যাবে না। কিন্তু নিয়ম অমান্য করে ঢুকে পড়েন মি. দাস, মি. রাঙ্কা এবং আজিঙ্কা শিন্ডে।

তাদের পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। প্রতিবাদে মুখর হয় সিজেপি।

অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘আজ রাতে বা আগামীকাল সকালে দিল্লি পুলিশ আমাকে তুলে নিয়ে যেতে পারে। এই দেশে তেরঙ্গা ওড়ানোর জন্য যদি জেলে যেতে হয়, তাহলে আমরা তার জন্যও প্রস্তুত।’

যন্তর মন্তরের মতো একটা জায়গা, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে সেখানে নিষেধাজ্ঞা জারি এবং পুলিশ—প্রশাসনের সমালোচনা করেই শুক্রবারের কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি।

তবে গত সপ্তাহ থেকেই বেশ উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে দিল্লি। শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। পুলিশ—প্রশাসন যদিও এর অনুমতি দেয়নি। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন হবে বলে জানানো হয়। বামপন্থী ছাত্র—যুব সংগঠনগুলো—সহ অন্যান্য বিজেপি—বিরোধী সংগঠনও ওই বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি আগাম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

গত শনিবার বিমানে চেপে দিল্লিতে অবতরণ করার পরই বিমানের ভেতর থেকেই অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। শনিবার আটক করা হয়েছিল ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী এবং মমতা ব্যানার্জী, অরভিন্দ কেজরিওয়াল, পিনারাই বিজয়ন এবং মানিক সরকার—সহ বহু রাজনৈতিক নেতাকে।

পুলিশি ধরপাকড়ের সময় এবং হেফাজতে থাকা কালীন মারধরের অভিযোগ তুলেছেন অনেকে। বিক্ষোভে সামিল আইনজীবীদের উপরেও পুলিশি হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।

এরপর ১২ অক্টোবর সিজেপির পক্ষ থেকে সিজেপির সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং অন্যান্যরা দিল্লি পুলিশের কাছে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে বসার জন্য দিন স্থির করে দেওয়ার আবেদন জানায়। এর জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়ও বেঁধে দেয়।

উল্লেখযোগ্য ভাবে সেই দিনই দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে যন্তর মন্তর এতদিন প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য পরিচিত ছিল, তা সেখানে আর বিক্ষোভ কর্মসূচি করা যাবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত। তার বদলে রামলীলা ময়দান বুরারি মাঠ, পূর্ব দিল্লির সিবিডি— এই তিনটে জায়গায় কর্মসূচি পালন করা যাবে। এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভের আগুন বাড়তে থাকে।

ওইদিনই আবার সুপ্রিম কোর্টের অভিমুখে মিছিল করে ইন্ডিয়া ব্লকের নেতারা, রাহুল গান্ধী—সহ অন্যরা সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আবেদন দাখিল করেন। এই দিনও সচেষ্ট ছিল দিল্লি পুলিশ। একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ করা হয়, ব্যারিকেড দেওয়া হয়, নামানো হয় বিপুল পরিমাণে পুলিশ ও সেনা বাহিনী।

শুক্রবারের কর্মসূচির আগে থেকেই তৎপর পুলিশ প্রশাসন। সকাল থেকে ডিটিসির বাসে করে পুলিশকর্মী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন করা হয়। ব্যারিকেড লাগানো হয়।

‘আমরা দেখিয়ে দেব তেরঙ্গা ওড়ানো অপরাধ নয়’

পুলিশের কোনো যুক্তিই মানতে চাননি মি. দীপকে। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কারণে ব্যবসার ক্ষতি হয় না। তাদের ক্ষতি হয় যখন সরকার গোটা শহর বন্ধ করে দেওয়ার, ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করার, নিজ নাগরিকদের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করার এবং শহরটিকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নেয়।’

জাতীয় পতাকা নিয়ে প্রতিবাদে সামিল হওয়ার কথাও বলেছেন।

তিনি লিখেছেন, ‘আপনারা জানেন সৌরভ এবং আশুকে শুধুমাত্র তেরঙ্গা ওড়ানোর জন্য জেলে পাঠানো হয়েছে। আমরা দেখিয়ে দেব তেরঙ্গা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়।’


বাংলাদেশে শিক্ষকদের মারধর চলছেই

ডয়চে ভেলে প্রতিবেদনঃ গত তিন দিনে দুটি ঘটনা। এক সহকারী শিক্ষককে থাপ্পড় মারা হয়েছে নারায়ণগঞ্জে। অভিযোগ এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। বগুড়ায় শিক্ষককে পিটিয়েছে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্র।

ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনারের খবর অনুযায়ী দেশে শিক্ষকের শরীরে আঘাত করার সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটেছে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে। কালনী হিড়নাল উচ্চবিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে এক সহকারী শিক্ষককে থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে ওয়ার্ড বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে। বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে কালনী হিড়নাল উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

অভিযুক্ত আবজাল মোল্লা দাউদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। অভিযোগকারী একরামুন্নেছা বিউটি ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

এ ঘটনায় আবজাল মোল্লাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রূপগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাহফুজুর রহমান। জবাব সন্তোষজনক না হলে আবজাল মোল্লার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবেÑ এমন আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

শিক্ষককে পেটানোয় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী আটক

অন্য ঘটনাটি গত সোমবার, অর্থাৎ ১২ অক্টোবরের। বগুড়ায় শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষককে মারধর করে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিয়াদ ইসলাম কিরন। বুধবার তাকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশ ও বিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে বগুড়া আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সামনে বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আবু রায়হানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

ক্লাসে অতিরিক্ত দুষ্টুমি করায় রিয়াদকে সতর্ক করেছিলেন শিক্ষক আবু রায়হান। একই সঙ্গে তার অভিভাবককে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসতে বলেছিলেন তিনি। এর জের ধরে ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ ওঠে।

লাঠির আঘাতে শিক্ষক আবু রায়হানের থুতনি কেটে যায়। কাটা জায়গায় আটটি সেলাই দিতে হয়েছে। এ ছাড়া তার ঘাড়েও গুরুতর জখম হয়েছে। ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র (টিসি) দিয়ে বহিষ্কার করে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগও করা হয়।

সারা দেশে কতজন?

সারাদেশে শিক্ষকদের ওপর মব সৃষ্টি করে হামলা, নানাভাবে অপমান করা এবং পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনা নিয়ে ২০২৫ সালের ১৮ এপ্রিল ‘শিক্ষকদের আর কত অপমান!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ডয়চে ভেলে। ডয়চে ভেলে বাংলার ঢাকা প্রতিনিধি হারুন অর রশিদ স্বপনকে তখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়র সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ‘সারা দেশে এ পর্যন্ত অন্তত দুই হাজার শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষককে এভাবে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮০০ শিক্ষক চাকরি ফিরে পেতে আদালতে গিয়েছেন। শুধু ঢাকা শহরেই পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন দুই শতাধিক শিক্ষক। এই শিক্ষকরা বেতনও পাচ্ছেন না।’ তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দাবি করেন, ‘যাদের পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে, তাদের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যাবে না, তাদের সবেতন চাকরি ফিরিয়ে দেয়া হতে পারে।’

নারী শিক্ষককে মারধর করে চুল ধরে বাইরে টেনে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় বিএনপির নেতা—কর্মীদের বিরুদ্ধে। কলেজের নারী প্রদর্শক আলিয়া খাতুন (হীরা)—কে স্যান্ডেল দিয়ে পেটানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় একজন মৎস্য ব্যবসায়ী বিএনপির কর্মী শাহাদত আলী প্রদর্শক আলিয়া খাতুনকে স্যান্ডেল দিয়ে পিটিয়েছেন। শাহাদত আলীর ছেলে লিটন ও কর্মচারী মাহবুর কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রদর্শক আলিয়া খাতুনের ওপর হামলা চালান৷ হামলায় নেতৃত্ব দেন জয়নগর ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এজদার, জয়নগর ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, ব্যবসায়ী আফাজ উদ্দিন প্রমুখ।

শিক্ষকদের পেটানো তারপরও থামেনি।

চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি ‘মাদারীপুরে বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় শিক্ষককে হাতুড়িপেটা, প্রতিবাদে মানববন্ধন’ শিরোনামে প্রকাশিত এক খবরে ‘মাদারীপুরে বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় এক স্কুলশিক্ষককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। শহরের চরমুগরিয়া মার্চেন্টস উচ্চবিদ্যালয়ের পেছনের ফটকে এ ঘটনা ঘটে।

এরপর চলতি বছর ৯ জুনের আরেক খবরে শিরোনাম ‘সাতক্ষীরায় শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে ‘মব’ করে শিক্ষককে পিটিয়ে জখম’।

‘ভুক্তভোগী ওই বিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক। তাকে প্রথমে শ্রেণিকক্ষে চড়—থাপ্পড় মারার পর শিক্ষকদের কক্ষে নিয়ে লোহার রড দিয়ে পেটানো হয়।’


Related Posts