জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সময়

বাঙালী প্রতিবেদনঃ মাত্র ৪ দিনের সফরে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পূর্ব নির্ধারিত রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানসহ কূটনীতিক ও বিশষ সংস্থার প্রধানদের সাথে বৈঠক করেন। তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে আসা প্রতিনিধিদের সংবর্ধনাতেও যোগ দেন। ঢাকা এবং নিউইয়র্ক থেকে প্রাপ্ত খবরে বলা হয়েছেঃ নিউইয়র্কে বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একের পর এক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং কূটনৈতিক তৎপরতায় অতিবাহিত হয়েছে তার সময়। ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর থেকেই তিনি নানা কূটনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে জাতিসংঘের বিভিন্ন অনুষ্ঠান, সরকারপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা।

ইউএনজিএ—তে অংশগ্রহণের প্রথম দিন অর্থাৎ ২২ সেপ্টেম্বর সকালে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদল প্রধান ও তাঁদের স্ত্রী বা স্বামীদের সম্মানে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত এক প্রাতঃরাশ সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদ মিলনায়তনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে অংশ নেন।

দিনব্যাপী অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, মালদ্বীপের ভাইস—প্রেসিডেন্ট উজ হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ের ফিল্স—এমে’র সঙ্গে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পাশাপাশি  তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপ, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক এবং মেটা প্ল্যাটফর্মসের চিফ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার জোয়েল কাপলানের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আসা বিশ্বনেতাদের সম্মানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিগুলোর মূল কেন্দ্রে ছিল মানবিক সমস্যা, জলবায়ু মোকাবিলা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।

Related Posts