কংগ্রেসসদস্যরা অবকাশে যাচ্ছেন || জনগণ রিপাবলিকানদের ওপর বিরক্ত
বাঙালী প্রতিবেদনঃ নতুন করে ইরানের সাথে যুদ্ধে জড়ানো, সেক্রেটারি অব ওয়ার হেগসেথের নতুন করে অর্থ চাওয়া কংগ্রেসের কাছে এবং যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় গ্যাস সহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে রিপাবলিকানরাই বিরক্ত। ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এ্যাগেইন’ অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘মাগা’ শ্লোগানটি তাদের কাছেই ক্রমশ অজনপ্রিয় হয়ে উঠছে। শুক্রবার সকালে এই খবরটি দিয়ে পলিটিকো আরো বলছে, এইসব সমস্যার সমাধান না করেই কংগ্রেস অবকাশে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধ বিরোধী একটি ডেমোক্রেটিক বিলে এ সপ্তাহে ৪ জন রিপাবলিকান ভোট দিলে বিলটি পাশ হয় ফিলিবাস্টার প্রম্নফ হিসাবে।
হাউজ মেজোরিটি লিডার স্টিভ স্ক্যালিসের বরাতে পলিটিকো বলছে, আমাদের সামনে এখন অনেক সংকটঃ ইরান যুদ্ধ, নিত্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি, নিরাপত্তা, বর্ডার সিকিউরিটি মোকাবেলা ইত্যাদি। সামনে মিড টার্ম নির্বাচন। তার আগে এইসব ইস্যু নিয়ে কথা বলতে হবে। কংগ্রেস সদস্যরা যখন পাঁচ সপ্তাহের অবকাশে যাওয়া শুরু করেছেন, তখন ডেমোক্রেটরা যুদ্ধ বিরোধী বিল তুলে পাশ করিয়ে নিল।
অন্য একজন রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্যর উদ্ধৃতি দিয়ে পলিটিকো বলছে, আমাদের এখন অনেক অনেক বিছু করতে হবে। অথচ আমরা ছুটি যাপনে যাচ্ছি। তিনি নাম প্রকাশ করতে চাননি।
নিজের দলের সদস্যদের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ উঠে আসছে। ফলে ন্যাশনাল রিপাবলিকান কংগ্রেশনাল কমিটি চেয়ার রিচার্ড হাডসন এবং দলের নেতৃবৃন্দ চাপে আছেন বলে লিখে পলিটিকো বলছে, কয়েকজন হাউজ রিপাবলিকান তাদের ‘অর্জনের’ কথা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বর্ণনা করছে। ইতিমধ্যেই, অর্থাৎ গত দুই/তিন সপ্তাহে হাউজ স্পিকার মাইক জনসন হাউজ ফ্লোরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন বলেও লিখেছে।
হাউজ ডেমোক্রেটরা মিডটার্ম নির্বাচনের আগে রিপবলিকানদের কর্মকান্ডকে ‘পলিটিক্যাল ব্লান্ডার’ বলে উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বিল পাশে সবুজ সংকেত দেয়ায়। হাউজ মাইনোরিটি লিডার হাকিম জাফরি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রিপাবলিকানরা আমেরিকার জনগণের আশা—আকাঙ্খা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন।
পলিটিকো গত বুধবার ফক্স নিউজের জরিপের ফলাফল উল্লেখ করে লিখছে, জরিপে উঠে এসেছে ডেমোক্রেটরা জনগণের ইনকাম, হেলথকেয়ার, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অনেক পারদশীর্। ইমাসন কলেজের জরিপেও অনুরূপ তথ্য উঠে এসেছে।
