যুদ্ধের প্রভাবে সাধারণ মানুষের পকেটে টান
বাঙালী প্রতিবেদনঃ ইরান যুদ্ধের নানা কুপ্রভাব পড়েছে আমেরিকান সাধারণ জনগণের পকেটে। তার অন্যতম হলো গাড়ির গ্যাসের মূল্য গ্যালনপ্রতি গড়ে দেড় ডলারের মত বৃদ্ধি। ওয়াশিংটন পোস্ট শুক্রবার জানাচ্ছে, যুদ্ধের কারণে মূল্যস্ফীতির যে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি তা ২০২৪ সালের মে মাসের হিসাবকেও ছাড়িয়ে গেছে। সে সময় মূল্যস্ফীতি ছিল ২.৪ শতাংশ। বর্তমানে তা ৩.৩ শতাংশে পৌঁছেছে।
পোস্ট বলছে, গত মাসে সার্বিক এনার্জির দাম ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এই মূল্যবৃদ্ধি গত ২০ বছরের মধ্যে সর্বাধিক। তবে গাড়ির গ্যাসের মূল্য ২১.২ শতাংশ। এই মূল্যবৃদ্ধিই গ্যাস—ইলেকট্রিসিটির দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
২০২২ সালের জুন মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১.৩ শতাংশ। এই মূল্যস্ফীতি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অশনি সংকেত বয়ে আনতে পারে। কারণ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে স্বল্প আয় ও মধ্য আয়ের মানুষরা অত্যন্ত বিরক্তির মধ্যে রয়েছেন। মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং কমানো ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রম্নতি।
যারা মনে করছেন, গাড়ির গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি ইলেকট্রিক গাড়ির মালিদের জন্য সুখবর, তাদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, বছরের শুরুতে ইলেকট্রিসিটিরও মূল্য বাড়ানো হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার ফেডারেল ইন্টারেস্ট রেট কমানোর জন্য চাপ দেয়া সত্ত্বেও ফেড চেয়ারম্যান তাতে রাজি হননি। এখন মূল্যস্ফীতি কমানোর জন্য ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানো জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানাচ্ছে ওয়াশিংটন পোস্ট।
