গ্রিনকার্ড পেতে চাইলে আমেরিকার সমালোচনা করা যাবে না
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আগে নিয়ম ছিল যদি কেউ ক্রাইম না করে, আমেরিকার আইন ভঙ্গ না করে তাহলে তার গ্রিনকার্ড পাওয়ায় কোনো বাধা নেই। নিউইয়র্ক টাইমস গত ২৫ এপ্রিল প্রকাশিত খবরে বলছে, তারা সম্প্রতি ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ট্রেনিং ম্যাটেরিয়াল রিভিউ করে দেখেছে, সম্প্রতিকালে উপরুক্ত ক্রাইমের সাথে যোগ হয়েছে কেউ যদি প্রো—প্যালেস্টাইনি প্রতিবাদে অংশ নেয়, ইসরাইলের সমালোচনা করে, আমেরিকার ফ্লাগ অবমাননা করে বা আমেরিকা বা সরকার বিরোধী রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করেÑ এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে তার গ্রিনকার্ড আবেদন নাকচ করা হবে। গত বছর আগস্ট মাস থেকে এই নিয়ম চালু করার পর ‘এ্যান্টি—আমেরিকান’ ও ‘এ্যান্টি সেমিটিক’ মতামতের প্রমাণ মিললে গ্রিনকার্ড দেয়া হচ্ছে না।
নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, গত মাসে ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস বা আইস কর্মকর্তাদের হাতে এ বিষয়ক কড়া নির্দেশনার ম্যানুয়েল তুলে দিয়েছে। ফলে সম্প্রতিকালে গ্রিনকার্ড প্রদানের হার অর্ধেকে নেমে এসেছে।
এজেন্সির ডিরেক্টর গত ফেব্রুয়ারি মাসে কংগ্রেসের এক শুনানিতে বলেন, যেসব বহিরাগত ব্যক্তি আমেরিকা—বিরোধী ধারণা পোষণ করবে কিংবা টেরোরিস্ট সংগঠনের কার্যাবলী সমর্থন করবে তাদের আমেরিকায় কোনো স্থান নেই। টাইমস লিখছে, বর্তমান প্রশাসন আমেরিকার ভেল্যুসকে সুরক্ষা দিচ্ছে। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জানান, প্রশাসনের নীতিমালার সাথে বাক স্বাধীনতার কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের উদ্দেশ্য আমেরিকার ইন্সটিটিউশন রক্ষা করাসহ সিটিজেনদের নিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করা।
আগের তথ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস লিখছে কোনো পর্যটককে ভিজিট ভিসা দেয়ার আগে তার সোশাল মিডিয়ার হিস্ট্রি রিভিউ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের হাতে সিদ্ধান্ত নেয়ার পর্যাপ্ত ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
ইউএসসিআইএস এর মুখপাত্র বলেন, তুমি যদি আমেরিকাকে ঘৃণা করো, তাহলে আমেরিকায় বাস করতে চাওয়ার প্রয়োজন নেই।
