৫০ রাজ্যের ৫০ ভালোবাসার গল্পঃ মিসিসিপি জুয়েলঃ ব্রেট লট || আবদুল্লাহ জাহিদ

মার্কিন কথাসাহিত্যিক ব্রেট লটের ১৯৯১ সালে প্রকাশিত কালজয়ী উপন্যাসজুয়েলএক অসামান্য সৃষ্টি। মিসিসিপি স্টেটের পটভূমিতে গড়ে ওঠা এই উপন্যাসটি মূলত ভালোবাসা, ঈশ্বরাদেশ, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং একজন মায়ের একক লড়াইয়ের গল্প। লেখক ব্রেট লট তাঁর নিজের মাতামহী জুয়েল হিলবার্নের বাস্তব জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই সাহিত্যকর্মটি রচনা করেন। উপন্যাসটি পাঠকের মনোজগতে এমন এক গম্ভীর অনুভূতির সঞ্চার করে, যেখানে দুঃখ কোনো করুণা দাবি করে না, বরং মানুষকে এক অলৌকিক আত্মশক্তিতে বলীয়ান করে তোলে। কেউ যদি উপন্যাসটির একটি পাতাও স্পর্শ না করেন, তবুও এই বিস্তৃত আলোচনার মাধ্যমে জুয়েল হিলবার্নের পৃথিবী, তাঁর কান্না, তাঁর লড়াই এবং শেষ পর্যন্ত তাঁর জয়ের প্রতিটি স্পন্দন অনুধাবন করতে পারবে।

উপন্যাসের মূল কেন্দ্রবিন্দু মিসিসিপির রিচটন নামক এলাকা এবং এর সংলগ্ন গ্রামীণ জনপদ। ১৯৪০এর দশকের পটভূমি। সেখানে সময় যেন অত্যন্ত ধীরগতিতে বয়ে চলে। চারদিকে পাইন গাছের বিশাল বন, লাল বেলেমাটি, প্রখর রোদ, আর চরম অর্থনৈতিক কৃচ্ছ্রসাধন। গ্রামীণ দক্ষিণাঞ্চলের এই জীবনধারা কেবল কোনো ভৌগোলিক পটভূমি নয়, বরং উপন্যাসের একটি জীবন্ত চরিত্র।

এই অঞ্চলের মানুষগুলো কঠোর, স্বল্পভাষী এবং ঐতিহ্য বিশ্বাসের প্রতি প্রগাঢ়ভাবে অনুগত। জীবন এখানে বিলাসিতার সুযোগ দেয় না, প্রতিদিনের জীবনসংগ্রামই এখানকার মানুষের একমাত্র সত্য। মিসিসিপির এই মেঠো জীবন, কাঠ ফাটা রোদ, আর নিঃসঙ্গতার মধ্যে বাস করে হিলবার্ন পরিবার। এই পরিবারের কেন্দ্রস্থলে আছেন জুয়েল হিলবার্ন এবং তাঁর স্বামী লিন্ডো।

উপন্যাসের গভীরতা বুঝতে হলে এর প্রধান চরিত্রগুলোর ভেতরের জগতকে উন্মোচন করা অত্যন্ত জরুরি। ব্রেট লট অত্যন্ত সূক্ষ¥ দক্ষতায় প্রতিটি চরিত্রকে গড়ে তুলেছেন।

জুয়েল হিলবার্ন: মাতৃত্বের এক অপরাজেয় প্রতিমা

উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র জুয়েল। তিনি কোনো রূপকথা বা আধুনিক কাব্যের আধুনিক নায়িকা নন। তিনি মিসিসিপির এক সাধারণ, পরিশ্রমী, ঈশ্বরভীরু নারী। তবে তাঁর সাধারণত্বের ভেতরে লুকিয়ে আছে এক অসাধারণ ইস্পাত কঠিন মানসিকতা। তিনি চার সন্তানের মা, ঘরকন্নার কাজে নিপুণ, এবং স্বামীর প্রতি অনুগত। কিন্তু তাঁর জীবনের প্রকৃত মোড় ঘোরে যখন তাঁর পঞ্চম সন্তান জন্ম নেয়। জুয়েলের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো তাঁর আত্মবিশ্বাস ঈশ্বরাদেশের প্রতি একপ্রকার অলৌকিক প্রতীতি। তিনি মনে করেন, তাঁর জীবনের প্রতিটি দুঃখকষ্টের পেছনে ঈশ্বরের কোনো গভীর উদ্দেশ্য রয়েছে।

লিন্ডো হিলবার্ন: নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতার নীরব স্তম্ভ

জুয়েলের স্বামী লিন্ডো। লিন্ডো শান্ত, কঠোর পরিশ্রমী এবং কথা বলেন কম। তিনি মিসিসিপির জমিতে কাঠ কাটার কাজ এবং কৃষিভিত্তিক শ্রম দিয়ে পরিবার চালান। তিনি জুয়েলের মতো আবেগপ্রবণ বা অলৌকিক বিশ্বাসে বিশ্বাসী নন, তিনি বাস্তববাদী। কিন্তু স্ত্রীর প্রতি তাঁর ভালোবাসায় কোনো ঘাটতি নেই। সমাজের চোখে যাঅভিশাপবাপঙ্গুত্ব’, স্ত্রীর চাপে পড়ে এবং স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসার খাতিরে তিনি সেই বাস্তবতাকে মেনে নিতে সন্তানের জন্য নিজের জন্মমাটি ছেড়ে যেতে দ্বিধা করেন না।

১৯৪৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামার মধ্যে জন্ম নেওয়া হিলবার্ন পরিবারের পঞ্চম সন্তানÑব্রেন্ডা কে। সে ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত, যে ব্যাধিকে তখনকার চিকিৎসাবিজ্ঞানে এবং সমাজে অত্যন্ত তাচ্ছিল্য অজ্ঞতার সাথেমঙ্গোলিজমবলা হতো। ব্রেন্ডা কে উপন্যাসের নীরব কেন্দ্রবিন্দু। তার কোনো দীর্ঘ সংলাপ নেই, তার কোনো নিজস্ব জটিল মনোস্তাত্ত্বিক রূপরেখা নেই। কিন্তু তার অস্তিত্বই পুরো হিলবার্ন পরিবারের গতিপথ পাল্টে দেয়।

জুয়েল লিন্ডোর বাকি চার সন্তান পরিবারের এই বিশেষ পরিস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্নভাবে প্রভাবিত হয়। একদিকে ছোট বোন ব্রেন্ডা কে প্রতি তাদের সহজাত মায়া, অন্যদিকে মায়ের পুরো মনোযোগ ব্রেন্ডার দিকে চলে যাওয়ায় তাদের ভেতরের অনুচ্চারিত অভিমানÑএই দুইয়ের টানাপোড়েন উপন্যাসটিকে অতিরিক্ত এক মনোস্তাত্ত্বিক মাত্রা দেয়।

উপন্যাসের গল্পটি প্রধানত তিনটি পর্বে বিভক্তÑমিসিসিপির গ্রামীণ জীবন ব্রেন্ডার জন্ম, ডাক্তারি ভবিষ্যদ্বাণী জুয়েলের সংগ্রাম, এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় অভিবাসন পুনর্বাসন।

গল্পের সূচনাতেই আমরা দেখি জুয়েলের এক বিশেষ মনোস্তাত্ত্বিক অবস্থা। জুয়েল বিশ্বাস করেন, ঈশ্বর তাঁর সাথে নানা সংকেতের মাধ্যমে কথা বলেন। ১৯৪৩ সালের এক ঝোড়ো রাতে, যখন চারপাশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনিশ্চয়তা, তখন জন্ম নেয় ব্রেন্ডা কে। সন্তান জন্মের পরপরই জুয়েল বুঝতে পারেন, এই শিশুটির মধ্যে অন্যরকম কিছু আছে। তার চোখের গড়ন, শরীরের শৈথিল্য এবং কান্নার শব্দ অন্যান্য বাচ্চাদের মতো নয়।

স্থানীয় চিকিৎসক যখন শিশুটিকে পরীক্ষা করেন, তখন তিনি এক নির্মম সত্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, শিশুটি ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত। তৎকালীন চিকিৎসা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে ডাক্তার অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করেন, ‘এই শিশুটি ৫০ দিনের বেশি বাঁচবে না। আর যদি বাঁচেও, তবে সে কখনোই হাঁটতে, কথা বলতে বা সাধারণ মানুষের মতো চিন্তা করতে পারবে না। তাকে কোনো মানসিক আশ্রমে পাঠিয়ে দেওয়াটাই শ্রেয়।

ডাক্তারের এই কথা জুয়েলের মাতৃত্বকে এক গভীর আঘাত হানে। কিন্তু ভেঙে পড়ার বদলে জুয়েল এক অবিশ্বাস্য সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ডাক্তারের কোনো পরামর্শই গ্রহণ করেন না। তিনি শিশুটিকে কোনো আশ্রমে পাঠাতে অস্বীকৃতি জানান। জুয়েলের মতে, ঈশ্বর যদি তাকে এই সন্তান দিয়েছেন, তবে একে রক্ষা করার দায়িত্বও তাঁর।

শুরু হয় জুয়েলের একাকী যুদ্ধ। তিনি শিশু ব্রেন্ডাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য দিনরাত এক করে ফেলেন। প্রতিটি দিন, প্রতিটি মুহূর্ত তিনি ব্রেন্ডার শ্বাসপ্রশ্বাসের দিকে নজর রাখেন। ৫০ দিনের সেই আশঙ্কাজনক সময়সীমা পার হয়ে যায়, কিন্তু ব্রেন্ডা মরে না। সে বেঁচে থাকে। জুয়েলের কাছে এটি ছিল ঈশ্বরের প্রথম অলৌকিক স্বাক্ষর।

তবে কেবল বাঁচিয়ে রাখাই শেষ কথা ছিল না। ব্রেন্ডা যখন বড় হতে থাকে, জুয়েল লক্ষ্য করেন তার শারীরিক মানসিক বিকাশ অত্যন্ত ধীর। সাধারণ শিশুরা যে বয়সে হাঁটতে শেখে, কথা বলতে শেখে, ব্রেন্ডা তা পারে না। মিসিসিপির গ্রামীণ সমাজ এবং আত্মীয়স্বজনরা এই শিশুটিকে দেখে সহানুভূতি দেখানোর বদলে একপ্রকার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে। তৎকালীন সমাজ প্রতিবন্ধী শিশুকে পরিবারেরপাপবাঅভিশাপহিসেবে দেখত। কিন্তু জুয়েল সমস্ত সামাজিক লাঞ্ছনা কটূক্তিকে একপাশে সরিয়ে ব্রেন্ডাকে সোজা করে দাঁড় করাতে চান।

১৯৫০এর দশকের শুরুতে জুয়েল জানতে পারেন যে ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য বিশেষ চিকিৎসা শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। মিসিসিপির নিজের ভিটেমাটি, পূর্বপুরুষের স্মৃতি, চেনা পরিচিত জনপদ ছেড়ে যাওয়া সহজ ছিল না। কিন্তু ব্রেন্ডার ভবিষ্যতের জন্য জুয়েল লিন্ডোকে রাজি করান ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যেতে।

এই স্থানান্তরটি কেবল একটি ভৌগোলিক পরিবর্তন ছিল না, এটি ছিল দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন পৃথিবীর মুখোমুখি হওয়া।

মিসিসিপি ছিল মাটি, নৈঃশব্দ, প্রথাগত বিশ্বাস অনুন্নত ব্যবস্থার প্রতীক। আর ক্যালিফোর্নিয়া হলো আধুনিকতা, যান্ত্রিকতা, নতুন আশা এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতীক।

ক্যালিফোর্নিয়ায় এসে হিলবার্ন পরিবার এক চরম আর্থিক মানসিক সংকটে পড়ে। লিন্ডোকে নতুন করে কাজ খুঁজতে হয়, যা তাঁর বয়স অভ্যাসের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন ছিল। বড় সন্তানরা নতুন শহরের নতুন সামাজিক পরিবেশে খাপ খাওয়াতে হিমশিম খায়।

কিন্তু জুয়েল অবিচল। তিনি ব্রেন্ডাকে বিশেষ স্কুলে ভর্তি করান। ব্রেন্ডা যখন প্রথমবারের মতো জুয়েলের ধরে থাকা হাত ছেড়ে নিজের পায়ে কয়েক পা হাঁটে, কিংবা যখন অস্পষ্ট মুখেমাবলে ওঠেÑসেই মুহূর্তগুলো উপন্যাসে কোনো অলৌকিক জয়গানের চেয়ে কম অনুভূতি তৈরি করে না। জুয়েল প্রমাণ করেন, চিকিৎসাবিজ্ঞান যে জীবনকেঅকেজোবলে ছঁুড়ে ফেলে দিয়েছিল, ভালোবাসা একাগ্রতা দিয়ে সেখানে প্রাণের জোয়ার আনা সম্ভব।

জুয়েলকেবল একটি পরিবারের বেঁচে থাকার গল্প নয়; এটি আধুনিক আমেরিকান সাহিত্যের এক গভীর সমাজতাত্ত্বিক দার্শনিক দলিল। ব্রেট লট কতগুলো নির্দিষ্ট থিমের ওপর ভর করে এই উপন্যাসটিকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।

উপন্যাসটি বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কে আমেরিকান সমাজের মানসিকতার একটি চিত্র তুলে ধরে। ১৯৪০ ৫০এর দশকে ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত শিশুদের সমাজেঅস্বাভাবিকবাঅক্ষমমনে করে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার মানসিকতা ছিল সাধারণ ঘটনা। ব্রেট লট দেখিয়েছেন কীভাবে বৈজ্ঞানিক অজ্ঞতা এবং সামাজিক কুসংস্কার একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবনকে সংকুচিত করে ফেলে। জুয়েলের লড়াই কেবল ব্রেন্ডার জন্য ছিল না, তা ছিল সেই সামাজিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এক নীরব বিদ্রোহ।

ব্রেট লটের গদ্যরীতি অত্যন্ত সংযত, কাব্যময় এবং অনুভূতিপ্রবণ। তিনি অপ্রয়োজনীয় শব্দ ব্যবহার করেন না। মিসিসিপির প্রকৃতির বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি যেভাবে আলো, বাতাস, পাইন পাতার গন্ধ এবং মাটির আর্দ্রতা বর্ণনা করেছেন, তা পাঠকের পঞ্চেন্দ্রিয়কে জাগ্রত করে।

উপন্যাসটি প্রধানত জুয়েলের মনের আলোছায়া অনুসরণ করে লেখা। পাঠক জুয়েলের চোখ দিয়েই বিশ্বকে দেখে।

উপন্যাসের শেষের দিকে ব্রেন্ডা কে কেবল বেঁচে থাকে না, সে বয়সের সাথে সাথে নিজস্ব কিছু ক্ষমতা অর্জন করে। সে নিজের কাজ কিছু কিছু করতে শেখে, ভালোবাসার উত্তর দিতে শেখে। ক্যালিফোর্নিয়ার নতুন সূর্যালোকে দাঁড়িয়ে জুয়েল যখন পেছনের দিকে তাকান, তিনি দেখতে পান তাঁর যৌবন শেষ হয়ে গেছে, তাঁর শরীর বার্ধক্যে নুয়ে পড়েছে, স্বামী লিন্ডোর চুলে পাক ধরেছে এবং অন্য সন্তানরা তাদের নিজস্ব জীবনে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

কিন্তু জুয়েলের ভেতরে কোনো অনুশোচনা নেই। যে শিশুটির ৫০ দিন বাঁচার কথা ছিল না, সে আজ এক পূর্ণবয়স্ক মানুষে পরিণত হতে চলেছে। জুয়েল বুঝতে পারেন, জীবনের আসল সফলতা ধনসম্পদে বা সামাজিক মর্যাদায় নয়, জীবনের সফলতা লুকিয়ে আছে সেই ভালোবাসায়, যা সমস্ত প্রতিকূলতাকে জয় করে এক ফোঁটা আশাকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে।

উপন্যাসের শেষ দৃশ্যটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এটি পাঠককে কোনো কৃত্রিম সুখী সমাপ্তি দেয় না, বরং দেয় এক মহৎ প্রশান্তি। জুয়েল এবং ব্রেন্ডা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকেÑএকদিকে বার্ধক্যে উপনীত এক মা, আর অন্যদিকে সেই মা সারাজীবনের উপাসনা সাধনার ফসল, তার সন্তান।

জুয়েলআমাদের শেখায় যে, জীবন নিখুঁত নয়। জীবন আমাদের সামনে মাঝে মাঝে এমন সব চ্যালেঞ্জ এনে দাঁড় করায়, যার কোনো বৈজ্ঞানিক বা সামাজিক সমাধান থাকে না। কিন্তু যেখানে সমাধান শেষ হয়, সেখান থেকেই শুরু হয় ভালোবাসার অলৌকিক ক্ষমতা। ব্রেট লটের এই উপন্যাসটি তাই সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে কেবল একটি কালজয়ী গল্প নয়; এটি মানবাত্মার এমন এক আলো, যা অন্ধকারতম রাতেও মানুষকে পথ দেখায়।

লেখক ব্রেট লটের সংক্ষিপ্ত জীবনী

ব্রেট লট হলেন একজন প্রখ্যাত আমেরিকান উপন্যাসিক, গল্পকার, স্মৃতিকথা লেখক এবং অধ্যাপক। তিনি অক্টোবর, ১৯৫৮ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পরিবার মূলত মিসিসিপি পূর্ব টেক্সাসের অধিবাসী ছিলেন, যারা ১৯৫০এর দশকে ক্যালিফোর্নিয়ায় স্থানান্তরিত হন।

তিনি ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, লং বিচ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে বিএ এবং বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস এ্যামহাস্টর্ থেকে ক্রিয়েটিভ রাইটিং এমএফএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

Related Posts