আমেরিকার ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশী শিক্ষক—১৮৪
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ শিক্ষকতার সাথে জড়িত। তাদের অনেকেই লেকচারার কিংবা এ্যাসিস্ট্যান্ট বা এসোসিয়েট প্রফেসর কিংবা ফুল প্রফেসর। কেউ কেউ প্রফেসর ইমেরিটাসও। আরো আছেন গবেষক। তাদের প্রায় সকলেরই রয়েছে গবেষণা গ্রন্থ কিংবা গবেষণা নিবন্ধ। বই প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব প্রকাশনা থেকে। তাদের নিবন্ধ প্রকাশিত হয় নিজ নিজ ইউনিভার্সিটিসহ আন্তর্জাতিক জার্নালে। সাপ্তাহিক বাঙালী এই সিরিজে কেবল বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে যারা শিক্ষকতা ও গবেষণা করেন তাদের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরছেঃ
প্রফেসর মোহাম্মদ ই. হক
টেক্সাস এএন্ডএ ইউনিভার্সিটির কলেজ অব আর্কিটেকচারের ডিপার্টমেন্ট অব কন্সট্রাকশন সাইন্সের ইমেরিটাস প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ই. হক। এই ডিপার্টমেন্টে ২০০০ সালে তিনি এসোসিয়েট প্রফেসর হিসাবে যোগ দেন। তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংএ বি.এস. ও এম.এস. করেন। তিনি সিভিল/স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংএ পিএইচ.ডি. করেন নিউজার্সি ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি থেকে।
ড. রুবাব খান
মেরিল্যান্ডস্থ নাসার গদার স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের অবজার্ভেশনাল কসমোলজি ল্যাবের ঔডঝঞ ফেলো ড. রুবাব খান। তিনি এ্যাস্ট্রো—ফিজিক্সে ব্যাচেলর করেন। ২০০৮ সালে এস্ট্রোনমিতে এম.এস. করেন ওহাইয়ো স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে। আর ২০১৪ সালে ওহাইয়ো স্টেট ইউনিভার্সিটিতে এ্যাস্ট্রোনমিতে পিএইচ.ডি. করেন। তার থিসিসের বিষয় ছিল ‘ম্যাসিভ স্টার জেরিয়াট্রিকস’।
ড. মো. সাইদুর রহমান
ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস, রিও গ্রান্ডে ভ্যালির স্কুল অব ইন্টেগ্রেটিভ বায়োলজিক্যাল এন্ড কেমিকেল সাইন্সের প্রফেসর মো. সাইদুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি থেকে ১৯৮৬ সালে ফিশারিজে বি.এস. এবং ১৯৮৭ সালে এম.এস. করেন। পরে জাপানের নিসিহারার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব রিউকিউস থেকে পুনরায় এম.এস. করেন মেরিন সাইন্সে। ২০০১ সালে মেরিন এন্ড এনভার্নমেন্টাল সাইন্সে একই ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচ.ডি. করেন।
