নিউজার্সি নিউইয়র্ক স্টেডিয়ামে জিহানের ম্যুরাল বাংলাদেশীদের গর্বিত করেছে
বাঙালী প্রতিবেদনঃ বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য নিউজার্সি—নিউইয়র্ক স্টেডিয়াম যেন আর সব স্টেডিয়ামের চেয়ে অন্যরকম, আরো আকর্ষণীয় ও শিল্পিত। এই বিশাল স্টেডিয়ামকে শিল্পিত করার লক্ষ্যে ফিফা ৪০ ফুট দীর্ঘ ও ১৬ ফুট উচ্চতার একটি বিশাল ম্যুরাল আঁকার ব্যবস্থা করে। ক্যানাডায় যেমন বিশ্বকাপের সে দেশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করে মাতিয়ে দেন বাংলাদেশী—আমেরিকান শিল্পী সঞ্জয় দেব, নিউজার্সি—নিউইয়র্ক স্টেডিয়ামেও তেমনই সাড়া জাগালো একজন বাংলাদেশী—আমেরিকান তরুণ জিহান ওয়াজেদ। ঐ সুবিশাল ম্যুরালের শিল্পী জিহান। জিহান গত ইউএস ওপেন টেনিসে বিলি জিন কিং কমপ্লেক্সে এই রকম একটি ম্যুরাল এঁকে সাড়া ফেলেছিল। উজ্জ্বল রং আনন্দের প্রতীক। জিহান উজ্জ্বল রঙে কাজ করতে পছন্দ করেন। বিশ্বকাপ ফুটবলের এই স্টেডিয়ামে যে বিশল ম্যুরাল এঁকেছেন জিহান তাতেও তার উজ্জ্বল রঙের সাযুজ্যপূর্ণ ব্যবহার দর্শকদের দৃষ্টি টানছে।
মেডোল্যান্ডে অবস্থিত নিউজার্সি—নিউইয়র্ক স্টেডিয়ামটি হাডসন নদীর অপর পারে পড়ায় হাজার হাজার দর্শক খেলা দেখতে যাচ্ছেন নিউইয়র্ক থেকে। তাদের যাওয়ার অন্যতম যান ট্রেন। জিহান ওয়াজেদ একটি ট্রেন স্টেশনের ছবি এঁকেছেন সলিড রঙে। মনে হবে ট্রেন যেন স্টেডিয়ামে গিয়ে থেমেছে। ম্যুরালটির ডেপথ দর্শকদের ভেতরে নিয়ে যাবে। ম্যুরালে লাল, সবুজ, হলুদ ও সাদার ব্যবহার লক্ষণীয়। ডানদিকে চাঁদ আর বামে সূর্য, দিনরাত্রির প্রতীক হয়ে এসেছে। সেই সাথে গ্লোবের ছবিটি আন্তর্জাতিকতাকে তুলে ধরেছে।
জিহানের চিত্রকর্ম নিয়ে এর আগে সাপ্তাহিক বাঙালীতে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। নিউইয়র্কে মূলধারায় নিজের স্টাইলে উজ্জ্বল রঙে ম্যুরাল এঁকে প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি।
জিহান ওয়াজেদ নিউইয়র্কের কুলীন হাইস্কুল স্টাইভস্যান্ট থেকে গ্রাজুয়েশন করে বারুখ কলেজে মিকৌলে অনারি প্রোগ্রামে পারসেপচুয়াল সাইকোলজিতে গ্রাজুয়েশন করলেও, তার মূল মনোযোগ ছবি আঁকায়। তিনি সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ খানের ছেলে।
