জন্মগত সিটিজেনশিপ || তবুও ছাড়বেন না প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট একটি মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পর সাধারণত পুনরায় শুনানি করে না। শেষবারের মত একটি ব্যতিক্রমধমীর্ ঘটনা ঘটে ১৯৬৫ সালে। জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির প্রফেসর স্টিভ ভস্নাডেক এই তথ্য জানান। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন পোস্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ট্রুথ সোশালে পোস্ট করা একটি মন্তব্যের বরাত দিয়ে লিখেছে, ‘আমি সুপ্রিম কোর্টকে বলব তারা যেন, অনতিবিলম্বে, জন্মগতভাবে সিটিজেনশিপ প্রসঙ্গে যে রায় দিয়েছে, সে বিষয়ে পুনরায় শুনাানির ব্যবস্থা করে তিনি বলেন, এটা বিচারেরমিসক্যারেজ যদি তারা এটা পরিবর্তন না করে আমেরিকাকে ধ্বংস করে দেবে। এটা অবশ্যম্ভাবিভাবে উন্মাদের সিদ্ধান্ত।

উল্লেখ্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এক্সিকিউটিভ অর্ডারকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলে আদালত জানায় আমেরিকায় অবৈধভাবে অবস্থানকালে বা টুরিস্ট হিসাবে আসার পর ভিসা থাকাকালে কারো সন্তান জন্মগ্রহণ করলে তারা সাংবিধানিকভাবে সিটিজেন হিসাবে গণ্য হবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নির্বাহী আদেশে এই ধরনের শিশুদের সিটিজেনশিপ না দেয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের বাধ্যবাধকতার কারণে উক্ত নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে রায় দেয়।

রয়টার্স বলছে, জন্মগত সিটিজেনশিপের নিয়ম বহাল রাখার যে রায় তা লেখেন চিফ জাস্টিস জন রবার্টস। প্রেসিডেন্ট এই রায়কে বলেনমিসক্যারেজ অব জাস্টিস তিনি তার ট্রুথ সোশালে আরো লেখেন, ‘আমেরিকান সিটিজেনশিপ ইজ নট ফর সেল

সুপ্রিম কোর্টের উক্ত রায়ের পক্ষে সমর্থন জানান জন জাস্টিস, আর বিপক্ষে জন। নিয়ম হচ্ছে উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় শুনানির জন্য ২৫ দিনের মধ্যে অনুরোধ জানাতে হয় আনুষ্ঠানিকভাবে। সদস্যের বিচারপতিদের মধ্যে বেশির ভাগ চাইলে পুনরায় শুনানি হতে পারে। সাধারণত রায়কে চ্যালেঞ্জ করে পুনরায় শুনানি হয় না। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্যের কারণে হয়ত জাস্টিসরা পুনরায় শুনানির পক্ষে ভোট দিতে পারেন এবং শুনানি শেষে জন্মগত সিটিজেনশিপের নিয়ম পাল্টেও যেতে পারে।

Related Posts