চেকিয়াকে ২—১ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু দ: কোরিয়ার
স্পোর্টস প্রতিবেদনঃ তবে হাল ছাড়েনি। শেষ পর্যন্ত বদলি খেলোয়াড় ওহ হিয়ন—গিউর জয়সূচক গোলে চেকিয়াকে ২—১ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে তারা। ম্যাচের শুরু থেকেই দক্ষিণ কোরিয়া ছিল অনেক বেশি আক্রমণাত্মক। অধিনায়ক সন হিউং—মিনকে কেন্দ্র করে একের পর এক আক্রমণ শানায় তারা। প্রথমার্ধে দলের আটটি শটের মধ্যে পাঁচটিই আসে সনের পা থেকে। তবে সবচেয়ে ভালো সুযোগটি দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন চেক গোলরক্ষক মাতেই কোভার।
দক্ষিণ কোরিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্যের মাঝেও প্রথম গোল পেয়ে যায় চেক প্রজাতন্ত্র। ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে ভ্লাদিমির কুফালের লম্বা থ্রো থেকে উড়ে এসে হেডে বল জালে পাঠান দলটির অধিনায়ক লাদিস্লাভ ক্রেইচি। মজার বিষয় হলো, সেটিই ছিল ম্যাচে চেকদের প্রথম অন—টার্গেট শট।
গোল হজমের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে দক্ষিণ কোরিয়া। আর সমতা ফেরাতে বেশি সময়ও লাগেনি। মাত্র আট মিনিট পর প্রাণবন্ত খেলতে থাকা লি কাং—ইনর পাস থেকে বল পান মিডফিল্ডার হুয়াং ইন—বম। বক্সের ভেতরে গোলরক্ষককে ধোঁকা দিয়ে নিখুঁত ফিনিশে বল জালে জড়িয়ে স্কোরলাইন ১—১ করেন তিনি। ৭৮তম মিনিটে আবারও বিপদে পড়তে যাচ্ছিল দক্ষিণ কোরিয়া। বাঁ দিক থেকে আসা একটি ফ্রি—কিক থেকে টমাস সৌচেক হেডে বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়। আর সেটিই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। দুই মিনিট পরই আসে দক্ষিণ কোরিয়ার জয়সূচক গোল। হোয়াং ইন—বমের দারুণ ক্রস থেকে সহজ ফিনিশে বল জালে পাঠান বদলি হিসেবে নামা ও হিয়ন—গিউ। ৮০তম মিনিটের সেই গোলেই ম্যাচে প্রথমবারের মতো এগিয়ে যায় দক্ষিণ কোরিয়া। তবে শেষ মুহূর্তগুলোতে চেক প্রজাতন্ত্র সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায়। সেসময় দলের ত্রাতা হয়ে ওঠেন গোলরক্ষক কিম সেউং—গিউ। ৮২তম মিনিটে অ্যাডাম হ্লোজেকের কাছ থেকে নিশ্চিত গোল বাঁচান তিনি। যোগ করা সময়েও মিখাল সাদিলেকের শট রুখে দিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক। এই জয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের একটি অপেক্ষারও অবসান ঘটিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। টানা চারটি বিশ্বকাপ আসরের মধ্যে এই প্রথমবার নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে জয় পেল তারা।
