জ্যাকসন হাইটসবাসীর উদ্যোগে প্রতিবাদ || ‘নো কর্মাশিয়াল পার্কিং অন ৭৩ স্ট্রিট’
নিউইয়র্কঃ সম্প্রতিকালে জ্যাকসন হাইটস ব্যবসায়ীদের মরণ ফাঁদ হিসাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে কমার্শিয়াল পার্কিং। বিশেষ করে ৭৩ ও ৭৪ স্ট্রিট কমার্শিয়াল পার্কিংএর আওতায় আনায় ক্ষুদ্র ব্যবসায় ধস নেমেছে। বাংলাদেশী অধ্যুষিত এই ২টি স্ট্রিটের অধিকাংশ ব্যবসায়ী প্রবাসী বাংলাদেশী। রেস্টুরেন্ট, গ্রোসারি, টেলিফোন ও ভেন্ডর ব্যবসায় শত শত বাংলাদেশী জীবন নির্বাহ করে এ এলাকায়। ট্রাইস্টেট এলাকার হাজার হাজার মানুষ আসে জ্যাকসন হাইটসে বাজার করতে ও আড্ডা দিতে। ৬ মাস আগে সিটি কর্তৃপক্ষ এই ২টি স্ট্রিটের অধিকাংশ এলাকাকে শুধুমাত্র কমার্শিয়াল পার্কিংএর জন্য সীমাবদ্ধ করে। ফলে সাধারণ মানুষ এই এলাকায় প্রাইভেট পার্কিংএর সুযোগ হারায়। ১১৫ ডলারের টিকিটের ভয়ে মানুষ এই এলাকায় আসতে আর উৎসাহবোধ করছেন না। গাড়ি পার্ক করে রেস্টুরেন্টে খাবার সেরে নেয়া, ১ কাপ চা কিংবা সিঙ্গারার গ্রাহকরা গাড়ি নিয়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছেন। আসছেন না গ্রোসারির বাজার করতে। এমতাবস্থায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত পড়েছে। অনেকে এই এলাকা থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছেন। রেস্টুরেন্টগুলো অস্তিত্বের সংকটে। নবান্ন, মামা’স ও হাটবাজার একাধিকবার হাত বদল হয়েছে লোকসান সামাল দিতে না পেরে।
জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী উদ্বিগ্ন। তারা এই পার্কিংএর বিরুদ্ধে সোচ্চার। গত শনিবার জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। ছিল মিলাদ ও খাবার বিতরণের আয়োজন। এ অনুষ্ঠানে আয়োজকরা একটা পর্যায়ে কমার্শিয়াল পার্কিংএর বিরুদ্ধে প্লেকার্ড হাতে নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়েন। তাতে লেখা ছিল ‘নো কমার্শিয়াল পার্কিং অন ৭৩ স্ট্রিট’। তারা স্থানীয় প্রশাসনকে সাধারণ পার্কিং চালুর জন্য দাবি জানান। মূলত মিলাদ মাহফিলের উদ্যোক্তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন শাকিল মিয়া, মোঃ আলম নমী, দেওয়ান মনির, সারওয়ার খান বাবু, এজাজুল ইসলাম নাঈম ও আমানত হোসেন। পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন এটর্নি মঈন চৌধুরী ও আব্দুল আজিজ। (নিউইয়র্ক কাগজ)
