রিপাবলিকানরা হারাতে পারে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ

বাঙালী প্রতিবেদনঃ শুক্রবার রিলিজ হওয়া গ্যালাপ পোলের খবরটি দিল ওয়াশিংটন পোস্ট। গ্যালাপের জরিপে উঠে এসেছে আমেরিকার অর্থনীতি নিয়ে এদেশের জনগণের হতাশা ক্ষোভ। ৪৯% মানুষ বলছে আমেরিকার অর্থনীতি দুরাবস্থায়। তবে অর্থনীতিকে ভাল বলার লোকেরও অভাব নেই। ১৬% বলছে চমৎকার। আর ৩৪% বলছে মোটামুটি। ওয়াশিংটন পোস্ট এই জরিপের ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে বলছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প জনগণের জীবনকে আরো সুন্দর এ্যাফোর্ডেবল করার যে প্রতিশ্রম্নতি দিয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন, দুই বছরের আগেই সেই প্রতিশ্রম্নতি পূরণে তিনি সংকটে পড়েছেন।

পোস্টের দেয়া খবর অনুযায়ী রাজনৈতিক পরিচিতি নির্বিশেষে আমেরিকার অর্থনীতি নিয়ে এদেশের জনগণের মধ্যে হতাশা নেমে এসেছে। তারা আস্থা হারিয়েছে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতিগ্যাসের মূল্যে যে আঘাত এসেছে তার ফলে তিন চতুর্থাংশ আমেরিকান অর্থাৎ ৭৫% জানিয়েছে এদেশের অর্থনীতি আরো দুরাবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে। গ্যালাপ জরিপের তথ্য অনুযায়ী এই অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও রিপাবলিকানরা আশাবাদী। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে জানান, এই অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য ইরান যুদ্ধ ফ্যাক্টর নয়। ডেমোক্রেটরা আশা করছেন, এই অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভোটারদের দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। কারণে নভেম্বরের মধ্যবতীর্ নির্বাচনে কংগ্রেসে তাদের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, ফেব্রুয়ারি মাসে গ্যাসের গড় মূল্য ছিল .৯০ ডলার প্রতি গ্যালন, তা বেড়ে এখন গড়ে .৫৬ ডলারে উঠেছে। আমেরিকানদের কাছে এখন দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা গ্যাসের মূল্য। কারণে বর্তমানে কংগ্রেসের হাউজ সিনেট এবং হোয়াইট হাউজ রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে আছে, তার থেকে হাউজ সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে তারা মধ্যবতীর্ নির্বাচনে। তাদের এই আশংকাও ডেমোক্রেটদের আশার জায়গা তৈরি হয়েছে বলে জানাচ্ছে পোস্ট।

পোস্ট বলছে, এর পাশাপাশি জনগণের এবং কংগ্রেসের মতামতের তোয়াক্কা না করেই প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউজ বলরুম নির্মাণ করছেন। এসব কারণে তার প্রতি জনসমর্থন কমে ৩৬% নেমেছে। পোস্ট বলছে দ্বিতীয় দফায় হোয়াইট হাউজে ফিরে আসার পর মে মাসটি প্রেসিডেন্টের জন্য সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছে।

Related Posts